সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভাতা পাবেন সুবিধাভোগীরা: প্রধানমন্ত্রী

0
Want create site? Find Free WordPress Themes and plugins.

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের টাকা আর যেন কেউ আত্মসাত করতে না পারে সেজন্য কাজ করছে সরকার। গণভবনে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতাসমূহ ইলেক্ট্রনিক উপায়ে বিতরণ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা ব্যাংক হিসাবে প্রদান শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। আজ মঙ্গলবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বয়স্ক, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা নারী ও প্রতিবন্ধীসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাধীন সুবিধাভোগীরা এখন ভাতা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাবেন। প্রথমবারের মতো এই ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে ভাতা প্রদান কার্যক্রম চালু হবার ফলে এখন থেকে কোনও মধ্যস্বত্বভোগী কারও কাছ থেকে কমিশন নিতে পারবে না। কারণ ভাতাভোগীর টাকা তার নিজের অ্যাকাউন্টেই যাবে।” তবে সক্ষম উপকারভোগীরা যেন সরকারি সহায়তার পাশাপাশি কাজকর্মে নিয়োজিত থাকেন সে বিষয়ে জোর দেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, শুধু ভাতার ওপর নির্ভরশীল হলে চলবে না। আমরা এমন পরিমাণে ভাতা দিব; যা দিয়ে আপনি খাদ্য কিনতে পারবেন কিন্তু কাজ আপনাকে করতে হবে। শুধু ভাতার উপর নির্ভরশীল হয়ে বসে থাকলে কর্মবিমুখ হয়ে পড়বেন।
তিনি বলেন, কারও সংসার চালানোর দায়িত্ব আমরা নেব না। তবে যে ভাতা দেবো, সে ভাতায় আপনাদের খাবারের ব্যবস্থা হবে।
বয়স্ক মানুষ যখন ভাতা পায় তখন ছেলে-মেয়েরাও তাকে গুরুত্ব দেয়। তার পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যা দূর হয়। তাকে সংসারে বোঝা না ভেবে গুরুত্ব দেয়া হয়।

সরকার গঠনের পর বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৯৬ এ যখন সরকার গঠন করি তখন দেখি ৪০ লাখ মেট্রিকটন খাদ্য ঘাটতি। আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম খাদ্য ঘাটতি দূর করতে হবে। তখন বিএনপি ছিল সংসদে বিরোধী দল। সংসদে তারা বলত খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া যাবে না। তাহলে বাইরে থেকে সাহায্য পাওয়া যাবে না অর্থাৎ ভিক্ষা পাওয়া যাবে না।

‘আমরা মানুষের কথা চিন্তা করি। সমাজের কথা চিন্তা করি, এজন্য বয়স্ক ভাতা বিধবা ভাতা চালু করেছি। হিজড়া, বেদে সম্প্রদায় সমাজের অনগ্রসর যারা তাদের উন্নয়নে কাজ করি। তাদের জন্য ভাতা প্রবর্তন করেছি। ৯৬ এ যখন এগুলো প্রবর্তন করি আমি সরকারে আসার পর প্রত্যেক এলাকায় কমিউনিটি করলাম। এর মাধ্যমে প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেই।’
প্রথম পর্যায়ে গোপালগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপকারভোগীরা এ সুবিধা পাবেন। পরে প্রধানমন্ত্রী এসব এলাকার উপকারভোগীদের সঙ্গে ভিডিও কন্ফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে কথা বলেন।

প্রথম পর্যায়ে মঙ্গলবার থেকে এক লাখ ১৫ হাজার উপকারভোগী তাদের গত এপ্রিল-জুন সময়কালের ভাতাসমূহ ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাবেন।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ডাক্তার মোজাম্মেল হক, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় গণভবনে উপস্থিত ছিলেন।

Did you find apk for android? You can find new Free Android Games and apps.

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.