নেই হতাশা, নেই কোন টেনশান, সবাই যেন ঈদের আনন্দ ভাগাভাগিতে একাকার। সাগর ঢেউয়ের নরম গর্জনে বরণ করে নিচ্ছে দর্শনার্থীদের। এমনই দৃশ্য দেখা গেছে মঙ্গলবার ঈদের দ্বিতীয় দিনে চট্টগ্রাম শহরের জনপ্রিয় পর্যটন ও বিনোদনের কেন্দ্র পতেঙ্গা সমূদ্র সৈকতে। হাজার হাজার পর্যটকের ভীড়ে মুখরিত সৈকত। একদিকে সাদা ফেনার ঢেউয়ের গর্জন। অন্যদিকে পরিবােরর সাথে অনুভবের শেয়ার। তারপর সেলফি বা ক্যমেরা বন্দি হওয়ার প্রতিযোগীতা। যা বিশ্ব বন্ধুদের জানান দিবার উদ্দেশ্যে তোলা।
সমুদ্রে ঘুরে বেড়ানোর জন্য স্পীড-বোট, সমুদ্র তীরেই ঘুড়ে বেরানোর জন্য সী-বাইক এবং ঘোড়া পাওয়া যায়। বিনোদন প্রেমিকরা আজ যেন পকেটের চিন্তা করছে না।পরিবারের সকলকে আনন্দ দেওয়াটাই মখ্য। তাই চড়ে বসছে পছন্দ মতো বাহনে।
জোয়ারের ফলে পানিতে নামতে না পারলেও পাথরের উপর বসে ঢেউয়ের তালে তালে ভিজছে নব দম্পত্তিরা। সেকি বাধভাঙা উচ্ছাস।সকল ক্লান্তি হতাশা, অলসতা সব ঝেড়ে ফেলে দিয়েছে এই সমুদ্রের বিশালতায়।শত রকমের খাবারের আয়োজনের মধ্যে শিশুদের জন্য আলাদা বিনোদন ব্যবস্থায় পিতামাতারা যেন বাড়তি খুশি অনুভব করছে।

ফুটবল খেলাও জমে উঠেছে কিশোরদের মাঝে।যুবা আর কিশোররা যেন হারিয়ে গেছে আজ এই আনন্দের বন্যায়। কেউ প্রেমিক প্রেমিকারা বাধাহীন মনের ভাব প্রকাশ করছে ইচ্ছেমতো।
সৈকতে আসা ও যাবার পথে প্রচন্ড জ্যাম, গাড়িভাড়া ও বেশী ঘুনতে হচ্ছে কিন্তু তাতে কোন দুঃখ নেই।সারা বছর পর পরিবারকে একসাথে নিয়ে আনন্দ করা বর্তমান সময়ে চাট্টিখানি ব্যাপার নয় ন্যাশনাল নিউজ প্রতিনিধিকে এমনই জানালেন রাউজান থেকে আগত এক পরিবারের কর্তা সুমন। সাগরের জোয়ার আর হাজারো মানুষের মাঝে আনন্দ করাটা যেন মনে রাখার মতো।
