আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রোজার ঈদের পর সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আন্দোলনের হুমকি ফাঁকা বুলি ছাড়া আর কিছু নয়।
আজ রবিবার বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দুই দিনব্যাপী বর্ধিত সভার উদ্ভোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, জনগণকে ফাঁকা বুলি দিয়ে বিভ্রান্ত করবেন সেইদিন চলে গেছে বেগম জিয়ার। এই ধরনের ফাঁকা বুলি দিয়ে আওয়ামী লীগকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি শান্তিপূর্ণ ভাবে আন্দোলন করবে এটা যদি সত্য হয়, তা আরব্য রজনীর রুপকথাতেও হয় না। বিএনপির আন্দোলনের আট বছরে ঈদের পর, কোরবানীর ঈদের পর,
এসএসসি পরীক্ষার পর বলেই আসছে। আমরা জানতে চাই এইবারের আন্দোলন কোনো ঈদের পর হবে। আর সেটা কোন বছর?’
‘হাসিনা মার্কা নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না’- বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা জিয়া আপনাকে বলতে চাই, আপনি মনে হয় ইতিহাস ভুলে গেছেন। ১/১১ এর পটভূমি তৈরি করে কে অন্ধকারের দিকে জাতিকে ঠেলে দিতে চেয়েছিল। তার আগের পাঁচ বছর কি ঘটেছিল বাংলাদেশে, কেন ১৫ ফেব্রুয়ারী নির্বাচন সৃষ্টি করেছিলেন? আজকে বেগম খালেদা জিয়া আপনার কি মনে নেই সেই আজিজ মার্কা নির্বাচনের কথা। আমরা কি সেই ইতিহাস ভুলে গেছি।
আগামী নির্বাচনকে নিয়ে বিদেশি কুটনৈতিকদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, যে সকল কুটনৈতিকরা আমাদের দেশের আগামী নির্বাচন নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই- নিজ নিজ দেশের চেহারাটা আগে দেখুন, আয়নায় নিজেদের দেখুন, নিজ দেশ নিয়ে মাথা ঘামান। আগামী নির্বাচন ফ্রি এন্ড ফেয়ার হবে। আমাদের নির্বাচন নিয়ে আপনাদের মাথা ঘামানোর দরকার নেই। ”
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন অদ্ভুত দাবি করে আসছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী নির্বাচন শেখ হাসিনার অধিনে হবে না, নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধিনে। শেখ হাসিনার সরকার নির্বাচন কমিশনকে সুষ্ঠভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য সহায়তা করবে। পৃথিবীর কোথাও সহায়ক সরকারের কোনও বিধান নাই। বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেভাবে নির্বাচন হয় বাংলাদেশে একই ভাবে নির্বচান হবে। আর এ নিয়ে বিএনপি নেত্রী অদ্ভুত, উদ্ভট দাবি করে আসছেন।