নিম্নচাপের প্রভাবে টানা অতি বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসে ও গাছ চাপায় তিন পার্বত্য জেলা বান্দরবান, রাঙামাটি ও চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে অন্তত ২১ নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। এর মধ্যে রাঙামাটিতে ১১ জন, বান্দরবানে ৬ জন এবং চট্টগ্রামে ৪ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে এসব ঘটনা ঘটে।
রাঙামাটিতে নিহতরা হলেন- শহরের ভেদভেদি এলাকাররুমা আক্তার, নুরি আক্তার, জোহরা বেগম, সোনালি চাকমা, অমিত চাকমা, আয়ুস মল্লিক, লিটন মল্লিক এবং চুমকি দাসের নাম জানা গেছে। এদিকে, জেলার কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে অনুচিং মারমা (৩০) ও নিকি মারমা নামের দুইজন নিহত হয়েছেন বলে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছায়া মং মারমা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
রাঙামাটি সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মংখ্য সিং চৌধুরী মারমা জানান, মরদেহগুলো হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
এদিকে, বান্দরবানে বিভিন্ন এলাকায় অতি বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসে শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছেন আরো ছয়জন। নিহতরা হলেন, শহরের আগাপাড়ার একই পরিবারের শুভ বড়ুয়া (৮), মিঠু বড়ুয়া (৬), লতা বড়ুয়া (৫) ও কালাঘাটা কবরস্থান এলাকার রেবি ত্রিপুরা (১৮)। বাকিদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিক উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে, চট্টগ্রামের চন্দনাইশের দোপাছড়ি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের শামুকছড়িতে পাহাড় ধসে একজন শিশু এবং ছনবনিয়ায় তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, শামুকছড়ির শিশু মাহিয়া (৩), ছনবনিয়ার ২নং ওয়ার্ডের উপজাতি এলাকার সিনসাও কেয়াংয়ের স্ত্রী মোকা ইয়ং কিয়াং (৫০), কেলাও অং কেয়াংয়ের কিশোরী কন্যা মেমো কেয়াং (১৩) ও ফেলাও কেয়াংয়ের শিশু কন্যা কেওচা কেয়াং (১০)।
আহত হয়েছেন আরো দুইজন। আহত সানু কেয়াং (২১), শেলাও কেয়াংকে (২৭) সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।