ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বড় ধরনের যানজট নেই। তবে ঈদে ঘরমুখী মানুষের চাপ রয়েছে। গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগছে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা। দীর্ঘপথ জুড়েই থেমে থেমে চলছে গাড়ি। দুপুরের পর যানবাহনের চাপ আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।
এ ব্যাপারে শনিবার সকালে হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্ত এলেঙ্গা থেকে মির্জাপুর ও গাজীপুর জেলার চন্দ্রা পর্যন্ত এই ৭০ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে চলছে যানবাহন। জানা যায়, কালিয়কৈরের চন্দ্রা-জয়দেবপুর চৌরাস্তা মহাসড়ক ও চন্দ্রা থেকে নবীনগর-সাভার রোড ছাড়িয়ে গেছে যানজট । এছাড়া বাইপাইল-আশুলিয়া ও উত্তরা পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
গাজীপুরের কোনাবাড়ী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হোসেন সরকার জানিয়েছেন, চন্দ্রার ত্রিমোড়ে যানজট নেই। তবে আশপাশ দিয়ে যানবাহনের কিছুটা ধীরগতি রয়েছে। আজ দুপুরের পর থেকে চন্দ্রা ও আশপাশ এলাকার তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে ঈদের ছুটি শুরু হবে। সেই সময় যানবাহনের চাপ আরও কয়েক গুণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ওসি হোসেন সরকার আরও জানিয়েছেন, গাজীপুরের ভোগড়া মোড় থেকে বোর্ডবাজার এলাকা পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় কিলোমিটার এলাকায় যানবাহন থেমে থেমে চলছে। এ ছাড়া একই মহাসড়কের টঙ্গীর স্টেশন রোড এলাকাতেও গাড়ি ধীরে চলছে।
গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি মো. খলিলুর রহমান পাটোয়ারী সাংবাদিকদের জানান, উত্তরাঞ্চলের ২২টি জেলার যানবাহন ছাড়াও টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর এবং কুষ্টিয়া-সাতক্ষীরা ও খুলনা রোডের মালবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী যানবাহনও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং বঙ্গবন্ধু সেতু জাতীয় মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করছে। এই বিপুল সংখ্যক যানবাহনের চাপের কারণে এ মহাসড়কে যানজট হচ্ছে।
এছাড়া ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চার লেনের কাজ, কয়েকটি ফ্লাইওভারের কাজ, নানা দুর্ঘটনা এবং গাড়ি বিকল হয়ে পড়ায় যানজটের অন্যতম কারণ। যানজট নিরসন করার জন্য হা্ইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ, জেলা ও থানা পুলিশ, র্যাব , আনসার, জেলা প্রশাসন ও এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ বিভিন্ন সংস্থার লোকজন কাজ করে যাচ্ছে।
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় টোল প্লাজা থেকে ইলিয়টগঞ্জ পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আজ শনিবার সকাল ১০ পর্যন্ত যানজট ছিল না।