নারী কর্মী থাকলেই আফগানিস্তানে এনজিও বন্ধ

0

নারীদের বিরুদ্ধে ফের আরেক কড়া পদক্ষেপ নিলো আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। তালেবান সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে যেসব দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওতে নারী কর্মী রয়েছে বা যারা নারী কর্মী নিয়োগ দেয়, সেগুলো বন্ধ করতে হবে। খবর এবিসি নিউজের।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে তালেবানের অর্থনীতি মন্ত্রণালয় থেকে এক চিঠিতে বলা হয়, সর্বশেষ এই আদেশ না মানলে এনজিওগুলো আফগানিস্তানে কার্যক্রম পরিচালনার লাইসেন্স হারাবে। দেশটির মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশি-বিদেশি সংস্থার সব কার্যক্রমের নিবন্ধন, সমন্বয়, নেতৃত্ব ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ের। সরকার আবারও তালেবান নিয়ন্ত্রিত নয় এমন প্রতিষ্ঠানে নারীদের সব ধরনের কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দিচ্ছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সহযোগিতার ঘাটতি দেখা দিলে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম বাতিল করা হবে এবং মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত কাজের লাইসেন্সও বাতিল করা হবে। তালেবান সরকারের অভিযোগ ছিল যে এনজিওগুলোতে কাজ করা নারীরা নির্ধারিত পোশাকবিধি, বিশেষ করে হিজাব পরিধানের নিয়ম অমান্য করছেন।

চলতি মাসের শুরুর দিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ জানায়, আফগান নারী মানবিক সহায়তাকর্মীদের একটি বড় অংশকে তাদের কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, যদিও ত্রাণ তৎপরতা এখনো অপরিহার্য রয়ে গেছে।

তালেবান সরকার এরইমধ্যে দেশটিতে নারীদেরকে অনেক চাকরি এবং বেশিরভাগ পাবলিক স্পেস থেকে নিষিদ্ধ করেছে এবং ষষ্ঠ শ্রেণির বেশি পড়াশোনা করাকেও নিষিদ্ধ করেছে। এ ছাড়া সম্প্রতি তালেবান নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা নির্দেশ দিয়েছেন, কোনও নারী যেখানে বসতে পারেন বা দাঁড়াতে পারেন, সেদিকে কোনো ভবনের জানালা লাগানো যাবে না।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.