প্রস্তাবিত বাজেটে ক্ষমতাসীনদের ব্যাপক দুর্নীতি করার সুযোগ সৃষ্টি করবে-খালেদা জিয়া

0

আপনারা জানেন দেশের আজ  কী অবস্থা। দেশের মানুষ নানা সমস্যায় রয়েছে। সরকার একটি বাজেট দিয়েছে।প্রস্তাবিত বাজেটে ক্ষমতাসীনদের ব্যাপক দুর্নীতি করার সুযোগ সৃষ্টি করবে । যেভাবে কর বসানো হয়েছে জিনিসপত্রে দাম আরও বাড়বে এবং দুর্নীতি করার আরও ব্যাপক সুযোগ করে দিয়েছে।

শনিবার ইফতারের আগে দেয়া বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন।

এর আগে এক টুইটবার্তায় খালেদা জিয়া বলেন, এই নিষ্ঠুর বাজেট সাধারণ মানুষের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত শুষে নেয়ার  শোষক শ্রেণির সর্বশেষ চেষ্টা। প্রতিরোধই মুক্তির একমাত্র পথ।বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি, নির্বাহী কমিটি, জেলা ও মহানগর কমিটি অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সম্মানে এ ইফতারের আয়োজন করেন খালেদা জিয়া।রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সিটি-নবরাত্রি হলে অনুষ্ঠিত এ ইফতারে কয়েক হাজার নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে আরও বলেন, সরকার নাকি আবারও গ্যাসের দাম বাড়াবে। বুঝতে পারছেন, সরকার কী করতে চায়। যেখানে জনগণের কাছে পয়সা নেই, সেখানে যদি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আবারও বাড়ে তাহলে দেশের মানুষ বাঁচবে কী করে।তিনি বলেন, এই সরকার হচ্ছে গণবিরোধী সরকার। তাদের সঙ্গে জনগণের কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ তারা (সরকার) জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। সেজন্য জনগণের কষ্ট তাদের চোখে পড়ে না। তাই দেশে প্রয়োজন সত্যিকার অর্থেই একটি জনগণের সরকার, যারা জনকল্যাণে কাজ করবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। খালেদা জিয়া গ্যাসের দাম না বাড়াতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।

একাদশ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশনকে সরকারের আবদার না শুনার পরামর্শ দিয়েছে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে আহবান করব, এই সরকার আপনাদের কাছে যা কিছু আবদার করবে, আপনারা তা বাস্তবায়ন করবেন না। আপনারা জনগণের মতামত নেবেন। সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে তবেই যেটা সবার মতামত দেবে, সেটার ভিত্তিতে আপনারা নির্বাচন কমিশন পরিচালনা করবেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেশে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন চাই এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ বুঝতে পারবে, তাদের পায়ের নিচে মাটি আছে কিনা, জনগণের সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক আছে কিনা সেটা প্রমাণ হবে।

ইফতারে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ  হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ  চৌধুরী।

সিনিয়র নেতাদের মধ্যে ইফতারে ছিলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান, হাফিজউদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, সেলিমা রহমান, খন্দকার মাহবুব  হোসেন, আবদুল আউয়াল মিন্টু, মীর  মো. নাসির, শামসুজ্জামান দুদু, আহমেদ আজম খান, এজেডএ জাহিদ হোসেন, অধ্যাপক মান্নান, আমানউল্লাহ আমান, মিজানুর রহমান মিনু উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও  কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে হারুনার রশীদ, উকিল আবদুস সাত্তার, শাহজাহান ওমর, অধ্যাপক আবদুল মান্নান, আবদুল কাইয়ুম, ফজলুর রহমান, কবীর মুরাদ, আব্দুস সালাম, সঞ্জীব  চৌধুরী, সুকোমল বড়ুয়া, সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, আতাউর রহমান ঢালী, মাহবুবউদ্দিন  খোকন,  সৈয়দ  মোয়াজ্জেম  হোসেন, হাবিব উন নবী খান  সোহেল, খুলনার মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, ফজলুল হক মিলন, মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম, শহীদ উদ্দিন  চৌধুরী এ্যানী, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জিএম ফজলুল হক, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ, বিলকিস জাহান শিরীন, আবদুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল,তাইফুল ইসলাম টিপু,আমিরুল ইসলাম খান আলীম, আব্দুল আউয়াল খান, খন্দকার মাশুকুর রহমান, বেলাল আহমেদ, সালাউদ্দিন ভূইয়া শিশির, নাজিমউদ্দিন আলম,নিলুফার চৌধুরী মনি, শাহ আবু জাফর, আবদুল হালিম  ডোনার,  মোরশেদ হাসান খান, খন্দকার মারুফ হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসেন, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন, ঢাকা জেলার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক, অঙ্গসংগঠনের সাইফুল আলম নিরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মোরতাজুল করীম বাদরু, মাহবুবুল হাসান ভূইয়া পিংকু, আনোয়ার  হোসেইন, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাদেক আহমেদ খান, সফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া, সুলতানা আহমেদ, হেলেন  জেরিন খান, হাফেজ এম এ মালেক, রাজিব আহসান, আকরামুল হাসান প্রমূখ নেতৃবৃন্দ ইফতারে অংশ  নেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.