বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৬তম সীমান্ত সম্মেলন শুরু হয়েছে। রাজধানীর পিলখানায় শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী এ সম্মেলন আগামী ২৮ আগস্ট শেষ হবে।
আজ মঙ্গলবার সকালে বিজিবি সদর দপ্তর পিলখানায় এ সীমান্ত সম্মেলন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ২১ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেছেন। বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও প্রতিনিধিদলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, সড়ক বিভাগ, ভূমি জরিপ অধিদপ্তর, যৌথ নদী কমিশন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিনিধিত্ব করছেন।
অন্যদিকে বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী দালজিৎ সিং চৌধুরীর নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। প্রতিনিধিদলে বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও ভারতের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তারা রয়েছেন।
এর আগে গতকাল সোমবার বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের চার দিনব্যাপী ৫৬তম সীমান্ত সম্মেলনে অংশ নিতে ৯ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদল ঢাকায় পৌঁছায়।
বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, সম্মেলনে পুশইন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে জোরালো দাবি জানাবে বিজিবি। এ ছাড়া সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের পাশাপাশি অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ, ভারত থেকে মাদক, অস্ত্র-গোলাবারুদ ও অন্য চোরাচালান রোধসহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমন, আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন এবং অননুমোদিত অবকাঠামো নির্মাণ রোধ, সীমান্ত নদীর তীর সংরক্ষণ এবং সীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়, সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ, সাম্প্রতিককালে ভারতীয় মিডিয়ায় বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচারের ফলে সীমান্তে সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমনে উদ্যোগ গ্রহণ, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিষয়সমূহ এবং সীমান্ত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হবে।