বান্দরবান প্রতিনিধিঃ বান্দরবান রোয়াংছড়িতে খেয়াং সম্প্রদায়ের ১৬ বছর বয়সী এক মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরী মো. জামাল হোসেন (৩২) নামে এক শ্রমিক কতৃর্ক ধর্ষণের শিকার হয়েছে। অভিযুক্ত মো. জামাল হোসেন রোয়াংছড়ি-রুমা সড়ক কাজে নিয়জিত শ্রমিক বলে জানা গেছে। গতকাল সোমবার (১০ মার্চ) রোয়াংছড়ি উপজেলার খামতাম পাড়ার পাশে এ ঘটনা ঘটে। মো. জামাল হোসেন বরিশাল জেলার নজরুল ইসলামের ছেলে।
এলাকার বাসিন্দা জানান, মানসিক ভারসাম্যহীন কিশোরী সবসময় পাড়ার আশেপাশে ঘুরাঘুরি করে থাকেন। গতকাল সন্ধ্যায় সড়ক সংস্কার কাজে নিয়োজিত শ্রমিক মো. জামাল হোসেন খামতাম পাড়ার পাশে কবরস্থান এলাকায় একা পেয়ে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ওও কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। পরে ওই কিশোরীর চিৎকার শোনে পাড়ার লোকজন গিয়ে ওই ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনা পাড়ায় জানাজানি হলে অভিযুক্ত জামাল হোসেনকে রাতভর খোজাখুজি করেও পাওয়া যায়নি। আজ সকালে রাস্তার কাজে নিয়জিত অন্য শ্রমিকরা তাকে আটক করে পাড়াবাসীর কাছে তুলে দেন। পাড়াবসী অভিযুক্ত জামাল হোসেনকে একটি স্কুলে আটকে রেখে রোয়াংছড়ি থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
রোয়াংছড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত মো. জামাল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেন জামাল হোসেন। ভুক্তভোগীর ভাই রেভেন খেয়াং বলেন, রাস্তার কাজে নিয়জিত জামাল হোসেন ভুক্তভোগী কিশোরী তার বোনকে রাস্তা থেকে টেনেহিঁচড়ে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে পাড়াবাসী ও রাস্তার কাজে নিয়জিত অন্য শ্রমিকরা মিলে জামালকে আটক করে পুলিশের কাছে সোর্পদ করেছেন।
রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহ্লাঅং মার্মা বলেন, ভুক্তভোগী মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন। ধর্ষণের ঘটনাটি শোনামাত্র পুলিশসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে জামাল হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আবদুল করিম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলেছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের কেউ মামলা করলে সাথে সাথে মামলা নেওয়া হবে।