শেষ সময়ে জমে উঠেছে গোপালগঞ্জে ঈদ বাজার

0

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : এবার যেন একটু আগে ভাগেই ঈদের বাজারে ক্রেতা আসতে শুরু করেছে গোপালগঞ্জের ঈদ বাজারে। বাজারে নানা ডিজাইনের পোষাক থাকলেও মূলতঃ ভারতীয় ও চাইনিজ পোষাকই বাজার দখল করে রেখেছে। তবে দেশীয় সুতি কাপড়ের কদর কমেনি এখানকার ঈদ বাজারে।
ঈদের দিন যতই এগিয়ে ঘনিয়ে আসছে এবং শেষ সময়ে জমে উঠেছে মফস্বলের ছোট্ট জেলা শহর গোপালগঞ্জের ঈদ বাজার ততই জমে উঠছে। বাজারে ভীড় বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে থান কাপড় ও গামের্ন্টসের দোকান গুলোতে উপচেপড়া ভীড় লেগেই থাকছে।
দোকানীরা জানালেন বেচাকেনা খারাপ না। আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়ার অবস্থা ভাল থাকলে তারা ভালো ব্যবসা করতে পারবেন। তবে অতি সম্প্রতি শহরের বিভিন্ন সড়কে চলছে পৌর সভার উন্নয়ন কাজ। এ উন্নয়ন কাজ ঈদ বাজার করতে আসা লোকজনের ভোগান্তি বাড়িয়েছে দ্বিগুন। বিশেষ করে পাইপ বসিয়ে ড্রেন নির্মানের কারনে শহরে বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ থেকে বাদ যায়নি শহরের মূল ব্যবসা কেন্দ্র বিন্দু চৌরঙ্গীও। ব্যবসায়ীরা জানালেন ঈদের পরে ব্যবসায়ীক এলাকায় খুড়া খুড়ির কাজ করলে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের সুবিধা হতো।
পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সবাই ছুটছেন ঈদ বাজারের দিকে। খুব বেশী ভীড় বেড়ে যাবার আগেই অনেকে তাদের কেনাকাটা শেষ করেছেন। গরমের কথা বিবেচনা করে অনেকেই দেশী সুতি থ্রি পীচ ও শাড়ি কিনছেন। দামের দিক থেকে কিছুটা সাশ্রয় আর আরাম দায়ক হওয়ায় এসব ক্রেতার প্রথম পছন্দই হলো দেশী সুতি ড্রেস।
এদিকে, ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকী।আর তাই গোপালগঞ্জের দর্জি পাড়া এখন সরগরম।কারো ফুরসত নাই। শেষ সময়ে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন দর্জি শ্রমিকরা। কাষ্টমারের কাছ থেকে নেয়া অর্ডার সময় মত ডেলিভারী দিতে মরিয়া হয়ে কাজ করছেন তারা। কোন কোন টেইলার্স ইতিমধ্যে অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।
গোপালগঞ্জের ঈদের বাজার জমতে শুরু করেছে।এখন রাস্তা দিয়ে হাটাই দায়। ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। চাহিদা মাফিক জামা-কাপড় ও জুতা-স্যান্ডেল কিনতে ক্রেতারা এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ভীড় করছেন। শহরের ক্রেতা সকাল-সন্ধ্যা ঈদের বাজারে যাচ্ছেন। দিন যত যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের চাপ ততই বেড়ে যাচ্ছে।
গত বছরের তুলনায় এ বছর কাপড়ের দাম বেশী এমন অভিযোগ ক্রেতাদের। তারপরও সবারই লক্ষ্য পরিবার পরিজনের জন্য নতুন কাপড় কেনা। আর গরীব ক্রেতারা সাশ্রয়ী দামে কাপড় কিনতে তাই এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ছুটছেন।
ধনী বা দরিদ্র যেই হোক না কেন সবাই এখন ঈদ বাজার মুখি। ঈদে স্বজনদের জন্য নতুন জামা-কাপড় কিনতে ঈদ বাজারে ভীড় করছেন। আর তাই শেষ সময়ে গোপালগঞ্জের বাজার গুলোও জমে উঠেছে।
শেষ সময়ে জমে উঠেছে গোপালগঞ্জে ঈদ বাজার
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : এবার যেন একটু আগে ভাগেই ঈদের বাজারে ক্রেতা আসতে শুরু করেছে গোপালগঞ্জের ঈদ বাজারে। বাজারে নানা ডিজাইনের পোষাক থাকলেও মূলতঃ ভারতীয় ও চাইনিজ পোষাকই বাজার দখল করে রেখেছে। তবে দেশীয় সুতি কাপড়ের কদর কমেনি এখানকার ঈদ বাজারে।
ঈদের দিন যতই এগিয়ে ঘনিয়ে আসছে এবং শেষ সময়ে জমে উঠেছে মফস্বলের ছোট্ট জেলা শহর গোপালগঞ্জের ঈদ বাজার ততই জমে উঠছে। বাজারে ভীড় বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে থান কাপড় ও গামের্ন্টসের দোকান গুলোতে উপচেপড়া ভীড় লেগেই থাকছে।
দোকানীরা জানালেন বেচাকেনা খারাপ না। আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়ার অবস্থা ভাল থাকলে তারা ভালো ব্যবসা করতে পারবেন। তবে অতি সম্প্রতি শহরের বিভিন্ন সড়কে চলছে পৌর সভার উন্নয়ন কাজ। এ উন্নয়ন কাজ ঈদ বাজার করতে আসা লোকজনের ভোগান্তি বাড়িয়েছে দ্বিগুন। বিশেষ করে পাইপ বসিয়ে ড্রেন নির্মানের কারনে শহরে বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ থেকে বাদ যায়নি শহরের মূল ব্যবসা কেন্দ্র বিন্দু চৌরঙ্গীও। ব্যবসায়ীরা জানালেন ঈদের পরে ব্যবসায়ীক এলাকায় খুড়া খুড়ির কাজ করলে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের সুবিধা হতো।
পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সবাই ছুটছেন ঈদ বাজারের দিকে। খুব বেশী ভীড় বেড়ে যাবার আগেই অনেকে তাদের কেনাকাটা শেষ করেছেন। গরমের কথা বিবেচনা করে অনেকেই দেশী সুতি থ্রি পীচ ও শাড়ি কিনছেন। দামের দিক থেকে কিছুটা সাশ্রয় আর আরাম দায়ক হওয়ায় এসব ক্রেতার প্রথম পছন্দই হলো দেশী সুতি ড্রেস।
এদিকে, ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকী।আর তাই গোপালগঞ্জের দর্জি পাড়া এখন সরগরম।কারো ফুরসত নাই। শেষ সময়ে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন দর্জি শ্রমিকরা। কাষ্টমারের কাছ থেকে নেয়া অর্ডার সময় মত ডেলিভারী দিতে মরিয়া হয়ে কাজ করছেন তারা। কোন কোন টেইলার্স ইতিমধ্যে অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।
গোপালগঞ্জের ঈদের বাজার জমতে শুরু করেছে।এখন রাস্তা দিয়ে হাটাই দায়। ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। চাহিদা মাফিক জামা-কাপড় ও জুতা-স্যান্ডেল কিনতে ক্রেতারা এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ভীড় করছেন। শহরের ক্রেতা সকাল-সন্ধ্যা ঈদের বাজারে যাচ্ছেন। দিন যত যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের চাপ ততই বেড়ে যাচ্ছে।
গত বছরের তুলনায় এ বছর কাপড়ের দাম বেশী এমন অভিযোগ ক্রেতাদের। তারপরও সবারই লক্ষ্য পরিবার পরিজনের জন্য নতুন কাপড় কেনা। আর গরীব ক্রেতারা সাশ্রয়ী দামে কাপড় কিনতে তাই এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ছুটছেন।
ধনী বা দরিদ্র যেই হোক না কেন সবাই এখন ঈদ বাজার মুখি। ঈদে স্বজনদের জন্য নতুন জামা-কাপড় কিনতে ঈদ বাজারে ভীড় করছেন। আর তাই শেষ সময়ে গোপালগঞ্জের বাজার গুলোও জমে উঠেছে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.