নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএমএসএফ ১৩ বছর পেরিয়ে ১৪ বছরে পর্দাপন উপলক্ষে জমকালো অনুষ্ঠান ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ।মফস্বল সাংবাদিকদের সুখে, দুঃখের দেশের সর্ববৃহত ও সরকারি রেজিষ্ট্রেশনকৃত সংগঠন “বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম” (বিএমএসএফ) ।
গত ৩০ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএমএসএফ এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।
মফস্বল সাংবাদিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৪ দফা দাবি আদায়ে কাজ করে যাওয়া বিএমএসএফ’র অনুষ্ঠানে সংগঠনের সারাদেশের বিভাগ, জেলা, মহানগর ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দসহ গণ্যমান্য অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত ও বিএমএসএফ’র থীম সং পরিবেশন করা হয়। পরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের বিহেদী আত্মার চির শান্তি কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
পরে সাধারণ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য মোস্তাক আহমেদ খান, রফিকুল ইসলাম, আমির হোসেন, যুগরত্ন সাংবাদিক সম্মাননাপ্রাপ্ত যমুনা টিভির প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা দুলাল সাহা, দ্যা এক্সাম্পল পত্রিকার সম্পাদক মিজানুর রহমান মোল্লা, বিএমএসএফ’র কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, জসীম উদ্দীন চাষী, জহুরুল হক জহির, সহ-সম্পাদক খোকন আহম্মেদ হীরা, নুরুল হুদা বাবু, তারিক লিটু, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. তাওহীদ হাসান, গাউছ উর রহমান, সৈয়দ খায়রুল আলম, সহ-দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি জাকির হোসেন, শাহাদাত হোসেন শাওন, আজাদ হোসেন আওলাদ মিয়া। সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএমএসএফ’র থীম সংয়ের গীতিকার সুমন তালুকদার, থীম সংয়ের সংগীত শিল্পী মো. রুহিত।
ফেনী শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক চৌধুরী, সাধারণ হাসনাত তুহিন, মো. সাদ্দাম গনি, মোস্তাফিজুর রহমান মিরাজ, ছাতক শাখার সভাপতি মুশাহিদ আলী, সাভারের ইউসুফ আলী খান, নাজমুল হক, ভুইয়া কামরুল হাসান সোহাগ, সাংবাদিক ও গবেষক এস এস রুশদী প্রমাখ।
সভাপতির বক্তব্যে আহমেদ আবু জাফর বলেন, গত ১৩ বছর ধরে এই সংগঠনকে সন্তানের মতো লালন করেছি। প্রতিটি প্রান্তিক পর্যায়ের সাংবাদিকদের পাশে থেকে আমরা কাজ করেছি। সাংবাদিকদের আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সামনে বিএমএসএফ আরও বড় পরিসরে, আরও শক্তিশালী ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করবে।
তিনি আরো বলেন, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবিতে সরকারের প্রতি চাপ সৃষ্টি, মফস্বল সাংবাদিকদের জন্য নিয়োগ ও বেতন কাঠামো নিশ্চিতকরণ, নির্যাতিত সাংবাদিকদের জন্য তহবিল ও আইনি সহায়তা, সাংবাদিকদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, আটটি বিভাগে সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা বাস্তবায়ন, সাংবাদিকদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় দেশে-বিদেশে সোচ্চার কণ্ঠে আওয়াজ তোলা হবে।
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) বিশ্বাস করে, প্রান্তিক সাংবাদিকদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা স্থায়ী হতে পারে না। তাই সংগঠনটি অতীতের মতো আগামীতেও সাংবাদিকদের পাশে থেকে সব ধরনের আন্দোলন ও নীতিনির্ধারণী কর্মকান্ডে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।