৭১ তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাজ্ঞলি
হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যের অসামান্য কথাসাহিত্যিক

0
Want create site? Find Free WordPress Themes and plugins.

আরিফ চৌধুরী: সমকালীন বাংলা সাহিত্যোর অসামান্য জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদ।একাধারে উপন্যাসিক, নাট্যকার,ছোটগল্পকার, চলচ্চিত্রকার ছাড়াও তিনি আমৃত্য জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের একজন। যিনি বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে এক নতুন মধ্যবিওকে উপস্থাপন করেছেন জীবনের স্বপ্ন ও স্বপ্নভঙ্গের সহজ কথার নির্মোহতায়। জনপ্রিয়তার বিচারে কিংবদন্তিতে পরিণত হওয়া কথাসাহিত্যিক নিজের লেখায় পরিমিতবোধ, বাঙলির প্রাত্যহিক জীবনের অস্তিত্বকে নতুনভাবে আবিস্কার করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিলো অপরিসীম। নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে সাহিত্যে রুচি, লেখার বিষয় আঙ্গিকের মেলবন্ধন, সমকালীন সমাজ বাস্তবতার নতুনরুপে বিশ্লেষণ তার লেখায় এসেছে স্বাচ্ছন্দ্যভাবে ,তিনি কিছু মৌলিক চরিত্রের সাথে বাঙলি পাঠককে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। হিমু, মিসির আলী, শুভ্রা, ইত্যাদি চরিত্র তাকে জনপ্রিয়তার শিখরে টেনে নিয়ে গেছেন। মানুষকে মন্ত্রমুগ্ধের মতো করে রাখার দুর্লভ প্রতিভার অধিকারী সৃষ্ঠিশীল সাহিত্যে জগতের মধ্যে দিয়ে সন্মোহনী শক্তিতে ধরে রেখেছিলেন দীর্ঘদিন ধরে। তার লেখার মূল উপকরণের সাথে সহজ ও সাবলীল ভাষার হ্উিমার ঢুকিয়ে দিয়ে মধ্যবিও জীবনের প্রচলিত ধ্যান ধারণা ও আবেগ,ও ভালোবাসা, আনন্দ বেদনাকে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে রুপায়ন করে তুলেছেন অনূভুতির চিত্রাবলীতে। হুমাযূন আহমদের লেখক জীবনের প্রথম রচনা অসামান্য উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ উপন্যাসের ভূমিকা লিখতে গিয়ে বরেণ্য লেখক, বুদ্ধিজীবি ড.আহমদ শরীফ লেখকের নতুন পথ চলার সন্ধ্যান করেছেন নিজের ভাষায়। যেমন-‘ বইটি পড়ে অভিভূত হয়েছি। গল্পে অবিস্ময়ে প্রত্যক্ষ করেছি একজন সুক্ষœদর্শী শিল্পীর, একজন কুশলী ¯্রষ্টার পাকা হাত। বাংলা সাহিত্যে ক্ষেত্রে এক সুনিপুণ শিল্পীর,এক দক্ষ রুপকারের, এক প্রজ্ঞাবান ¯্রষ্টার জন্মলগ্ন যেন অনূভব করলাম। বিচিত্র, বৈষয়িক, ও বহুমুখী মানবিক সম্পর্কের মধ্যেই যে জীবনের সামগ্রিক বঞ্চনা নিহিত, সে উপলব্ধি লেখকের রয়েছে। হুমায়ূন আহমেদ বয়সে তরুণ, মনে নবীন দ্রষ্টা, মেজাজে জীবন রসিক, স্বভাবে রুপদর্শী, যোগ্যতায় দক্ষ রুপকার। ভবিষৎতে বিশিষ্ট জীবন শিল্পী হবেন এই বিশ্বাস ও প্রত্যাশা নিয়ে অপেক্ষা করবো”। হুমায়ুন আহমদকে নিয়ে এমন ভবিষৎ বাণী বিফল হয়নি। তার সৃষ্টিকর্মের মধ্যে দিয়ে তিনি সেই সম্ভাবনাকে দেখিয়ে দিয়ে গেছেন। তার উপন্যাস ও গল্প নিজস্ব বৈশিষ্ট্যর ভিওির উপড় গড়ে উঠেছে বলেই তিনি জননন্দিত কথাকার হয়ে উঠেছিলেন অনায়াসেই। মানুষের রুচি ও স্বপ্নকে জীবন কথার মধ্যে দিয়ে তিনি সংবেদনশীল অনূভবে নতুন প্রজন্মের কাছে উপলব্দি করতে পেরেছিলের বলেই তিনি এত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন।
হুমায়ূন আহমেদ জীবনের শুরুতে বিপুল সম্ভাবনা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন। তার প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে ও শংখনীল কারাগার উপন্যাসের মধ্যে দিয়ে মধ্যবিও জীবনের গভীরতর বেদনাকে গল্পের বুননে এমন চিরচেনা চরিত্রের সন্নিবেশ ঘটিয়ে সৃষ্ঠি করেছেন তাতে পাঠককে সন্মোহনী শক্তিতে বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলেছিলো। জীবনের যাদু বাস্তবতা, সামাজিক জীবনের ভেতরের জটিলতাকে নিজস্ব জগতের রহস্যময়তায় উপস্থাপনায় বাক্সময় করে তুলেছেন্। তাইতো তার সৃষ্ঠিতে উপন্যাস, নাটক, শিশু সাহিত্য, চলচ্চিত্রে, ছোটগল্পে, প্রর্ভতি নানান শাখায় তার অবাধ বিচরণ তার গল্পে , উপন্যাসে, কল্পনা বাস্তবতাকে ছাড়িয়ে তিনি গল্পে এনেছেন নিখুঁত জীবন বাস্তবতার রুপায়ন। নিজের রচনাকে জনপ্রিয় করে তোলার কলা-কৌশল হুমায়ুন আহমদ বেশ ভালোভাবে রপ্ত করেছিলেন।
বাংলা ছোটগল্পের যে ধারাটি জীবনধর্মী, সৃষ্টিশীল দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রখরতার প্রয়াসে ব্যতিক্রম সেই পথের সন্ধানে হুমায়ুন আহমেদ পথ হেঁটেছেন অনেক দূর। ছোটগল্পের মাঝে যে অসামান্য কল্পনা। গভীর অন্তদৃষ্টি, মনস্তত্বের গহিন-কুটিল জটিলতা, প্রকৃতি প্রেমের বিশালতা গভীর মননে সমকালীন জীবন যাপনের নাটকীয়তা ও চরিত্র চিত্রণে, নতুনত্বের বৃত্তে হুমায়ুন আহমেদ জীবনের ট্র্যাজিক মহিমায় জীবনকে উপলব্ধি করে তার প্রকাশ ভঙ্গিতে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন অনায়াসেই। কারণ, বিষয়বস্তু নির্মাণে হুমায়ুন আহমদের পছন্দ শিক্ষিত বাঙালি মধ্যবিত্তের পারিবারিক স্বরূপ অন্বেষায় নতুন দিকের উন্মোচন। সেই মধ্যবিত্তের জীবন-যাপনের নানা সংকট। দুঃখ, সুখ ও বেদনাবোধের বোধ নিজস্ব শৈলীতে রূপান্তর করে তুলে এনেছেন আপন শক্তিতে। জীবনের বিরহ কাতরতা, ব্যর্থতা, পারিবারিক সীমাবদ্ধতায় যন্ত্রণা, আকুলতার মতো স্পর্শকাতর বিষয় হুমায়ুন আহমেদ অত্যন্ত দক্ষতার মধ্য দিয়ে নির্ণয় করেছেন। কারণ, বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের দুঃসময়ের কালে অপাঠ্য স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের ও তরুণ সমাজের মস্তিক বিকৃত করার মতো সুরসুরি সাহিত্যের দারুণ দাপটের সময়ে হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্পকারের, কথাশিল্পীর আবির্ভাব নতুন প্রজন্মের পাঠকদের আশ্বস্থ করেছিলো নতুন চেতনায়। কথাসাহিত্যের জীবনচিত্র আঁকতে আঁকতে ছোটগল্পের শরীর নির্মাণে মেধা ও মননের সত্যতায়। বিশ্বাসে নির্ভরশীল গল্পকার ছিলেন হুমায়ুন আহমেদ। নিপুণ কারিগরের বুননে তৈরি তার গল্পসমূহের মধ্যে উলে¬খ্য যোগ্যতার দাবিদার যেমন-আনন্দ বেদনার কাব্য, জলিল সাহেবের পিটিশন, উনিশ’শ-একাওর, শিকার, শীত, অয়োময়, নন্দিনী, খাদক, চোখ, জুয়া, একটি নীল বোতাম, সৌরভ,একটি নীল বোতাম, ফেরা, অচিনবৃক্ষ, জলছবি, শ্যামলছায়া, নিশিকাব্য, আজ দুপুরে তোমার নিমন্ত্রণ, অপরাহ্ন অন্যতম। গল্পে চরিত্রগুলোর অনিবার্যতা, গতিশীলতা, স্বতঃস্ফূর্ততা ও সাবলীলতায় জীবন থেকে উঠে ঘঠনাপ্রবাহের তীক্ষè ও ঝরঝরে কথার চিত্রণে, উজ্জ্বলতর রূপ লাভ করেছে। ভাষা নিরীক্ষা, সংযমী গল্পের বুনটে অনন্য উজ্জ্বলতায়, ব্যাপ্তিও বিস্তারের সীমাবদ্ধতায় সমাজ ও জীবনের মর্মমূল্যের দিকে ধাবমান সমকালীন একজন শক্তিমান গল্পকার ও কথাকার হিসাবে হুমায়ুন আহমদের আসন যেনো নিপুনভাবে আঁকা হয়ে গেছে।
হুমায়ূন আহমদের ছোট গল্পের মধ্যে একটা অংশ জুড়ে আছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। এ ছাড়াও হুমায়ুন আহমদের রচনায় মুক্তিযুদ্ধ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপড় মুক্তিযুদ্ধকে তুলে ধরা হয়েছে বিভিন্ন ভাবে। তার মুক্তিযুদ্ধের বিষয় নিয়ে লেখা নন্দিনী, জলিল সাহেবের পিটিশন, শীত, জনক, ও উনিশ’শ একাওুর। হুমায়ুন আহমেদের অসামান্য গল্প ‘জলিল সাহেবের পিটিশন’। জলিল সাহেব একজন নিহত মুক্তিযোদ্ধার পিতা। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের নির্মমতার সময়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন লক্ষ-লক্ষ মানুষ। ঘর থেকে ধরে নিয়ে নির্মম গণহত্যার শিকারে পরিণত মানুষের মৃত্যুর পর কোন মূল্যায়ন ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। প্রতীকী চরিত্র আবদুল জলিল সাহেবের পিটিশনের বিষয়বস্তু হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে দশ লক্ষ ইহুদি মারা গিয়েছিলো। সেই অপরাধে অপরাধীদের প্রত্যেকের বিচার করা হয়েছে এবং এখনো তা চলছে। কিন্তু এদেশের লক্ষ-লক্ষ নিরীহ মানুষ মেরে অপরাধীরা কিভাবে পার পেয়ে যায়। জলিল সাহেব তার ১৫ হাজার স্বাক্ষরযুক্ত পিটিশন সরকারের কাছে আবেদন করেছেন যেনো এদের বিচার করা হয়। বর্তমানে যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে সকল জঘন্য অপরাধীদের বিচার ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। হুমায়ুন আহমেদ জলিল সাহেবের মধ্যে দিয়ে নিহত মানুষের হত্যার বিচারের প্রক্রিয়ার কথা ইঙ্গিত করেছেন। এমন অসামান্য গল্পের মধ্যে দিয়ে হুমায়ুন আহমেদ মুক্তি চেতনার কথা বলেছেন, নর পিশাচদের বিচারের কথা বলেছেন। একজন জলিল সাহেবের মধ্যে দিয়ে যার সত্যতা আমরা আজও উপলব্ধি করি।
অন্যদিকে প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকের কাহিনী গড়ে উঠেছিলো মধ্যবিও জীবনের সুখ-দু:খ গাঁথা এক কাহিনীতে। সাবলীল ও সহজবোধ্য ভাষঅয় কিছুটা হিউমার, জীবনের আবেগ, ভারৈা রাগা ও মন্দলাগা ছাড়াও গল্পের কাহিনীতে ্টমেন কিছু চিরচেনা নাটকীয় মূহুর্ত গুলোকে তুলে আনা হয়েছে যা পাঠ করলে পাঠক কে অনেক দূর নিয়ে যাবে। নন্দিত নরকের কাহিনী গড়ে উঠেছে মধ্যবিও এক পরিবারকে কেন্দ্র করে। যে পরিবারের বাসিন্দা রাবেয়া, খোকা, মন্টু, রুনু ও বাবাও মা। এ সকল পরিবারের সুখ- দু:খ নিয়ে উপন্যাসের কাহিনীতে সাবলিল সন্নিবেশ ঘটিয়েছেন হুমাযূন আহমদ। এই উপন্যাসের পথ ধরে হুমায়ূন আহমদ তার বেশীরভাগ উপন্যাসে মধ্যবিওের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করেছেন বলেই পাঠক বাস্তবতা থেকে সরে এসে পাঠক তার নিজস্ব জগত উপন্যাসে চিত্রিত করেছেন। তার উপন্যসের মধ্যে মধ্যাহ্ন উল্লেখ্যযোগ্য। মধ্যাহ্ন উপন্যাসের কাহিনী শুরু হয়েছে ১৯০৫ সালের প্রেক্ষাপট নিয়ে। ভারতবর্ষে বঙ্গভঙ্গেও তোলপাাড়। লর্ড কার্জনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছে হিন্দু সমাজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্টার বিরোধিতা করছে তারা। জায়গায় জায়গায় হিন্দু –মুসলিম দাঙ্গা শুরু হয়েছে। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ হিন্দু-মুসলিম বিরোধ ঠেকাতে রাডিখ বন্ধনের আয়ৈাজন করছেন। হুমায়ূন আহমদ এমনি এক কাহিনী বর্ণনার পাশাপাশি সংযুক্ত করেছেন ইতিহাসের সব তথ্য ছাড়াও উপন্যাসে সমাজের বিভিন্ন স্তরের বর্ণ ও পেশার মানুষের আনাগোনা উপন্যাসটিকে অর্থবহ করে তুলেছে।
ন্ডমায়ূন আহমদের আরও একটি চমকপ্রদ ঐতিহাসিক উপন্যাস দেয়াল’। এটি একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। একাওুরের পটভুমিতে মন ছুঁয়ে যাওয়া এ উপন্যাস ‘জোছনা ও জননীর গল্প’ লিখেছেন তেমনিভাবে ইতিহাসের উপাদান নির্ভর ইতিহাসকে ফুটিয়ে তুলতে বিশ্বস্থ থেকেছেন দেয়াল উপন্যাসে। ইতিহাস আশ্রিত করে পাত্র- পাত্রির সন্নিবেশ ঘটিয়ে নিজের সফলতায় তিনি আখ্যান তৈরি করে গল্প কথকের ভুমিকায় সত্য গুলিকে ফুটিয়ে তুলতে সচেষ্ঠ ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ভয়াবহ নির্মমতার মধ্যে দিয়ে ইতিহাসকে দেয়াল বন্দী করতে সচেষ্ট ছিলেন। শুধু উপন্যাসে নয় গল্পেও বহুমাত্রিকতার সম্ভাবনা দেখিয়েছেন হুমাযূন আহমদ। বাংলা সাহিত্য অদ্ভুত গল্প ,ভৌতিক গল্প, অতি প্রাকৃত গল্প, ইত্যাদি শিরেনামে যে গল্প গুলো লিখেছেন তা বাংলা সাহিত্য নতুন মাত্রা যোগ করেছে।মদ্যবিও জীবনের হাসি-কানানা নানান জটিলতাকে উপলব্দি করে স্পর্শকাতর বেদনাগুলোকে ফুটিয়ে তুলতে তার জুড়ি নেই। সেই প্রৃতিভার কারণে তিনি বাংলা সাহিত্য জনপ্রিয়তার আসনে অসীন হয়ে আছেন। একাধারে সফল কথাকার অন্যদিকে নন্দিত নাট্য নির্মাতা তিনি।এশর পর এক সৃষ্টি করেছেন চম্যকার সব গল্প, উপন্যাস, নাটক, সফল চলচ্চিত্র। আমাদের তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যে সকল চলচ্চিত্র দেখেছে তার মধ্যে নি:সন্দেহে প্রথম দিকে থাকবে হুমায়ূন আহমদের ‘আগুনের পরশমণি, শ্যামলছায়া,শ্রাবণ মেঘের দিন, এর মতো চলচ্চিত্র। হুমায়ুন আহমেদ কর্মের মহীমাকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন , তাইতো তিনি বৃস্টি¯œাত শ্রাবণ মেঘের বৃষ্টির ছোঁয়ায় তিনি শেষ শয্যায় শায়িত হয়েছিলেন। নিজের গড়া নুহাস পল্লীতে।
আজ যে ভুবনে তিনি প্রবেশ করেছেন তা থেকে ফেরার কোন পথ নেই, নেই কোন সম্ভাবনা। তবুও তার প্রতিভার স্পর্শে, সৃষ্টিশীল মনন ও কর্মকান্ডের মাধ্যমে বহু গ্রন্থের জনক হিসাবে বাংলা ভাষাভাষি সকল মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন সমাদৃত হয়েছেন সকল সৃষ্টির অসামান্য স্রষ্টা হিসাবে। কথাসাহিত্যের নন্দিত কথাকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, নাট্যকার হুমায়ুন আহমেদ জীবন কর্ম ও কৃর্তির ধারায় নিজস্ব স্বতন্ত্র মহিমায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বেঁচে থাকবেন এই বাংলায়, আমাদের সকলের ভালোবাসায়, নির্ভরতায়, অনন্ত হৃদয়ে।

Did you find apk for android? You can find new Free Android Games and apps.

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.