বাংলাদেশে হতদরিদ্রের হার ১৬.১৯, ২০৩০ সালে হবে ০.৮৩: বিশ্বব্যাংক

0
Want create site? Find Free WordPress Themes and plugins.

ক্রয়ক্ষমতা সমতা অনুসারে (পিপিপি) যাদের দৈনিক আয় ১ ডলার ৯০ সেন্টের কম, আন্তর্জাতিক দারিদ্র্যরেখা হিসেবে তাদের হতদরিদ্র বলে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা বিশ্বে এখন দৈনিক ১ ডলার ৯০ সেন্টের কম আয় করেন এমন দরিদ্র লোকের সংখ্যা ৭৩ কোটি ৬০ লাখ। তারা হতদরিদ্র হিসেবে বিবেচিত। আর এসব হতদরিদ্র মানুষের অর্ধেক বসবাস করে বাংলাদেশ, ভারত, নাইজেরিয়া, কঙ্গো ও ইথিওপিয়া এই পাঁচটি দেশে।
সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের এক রিপোর্টে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়। যা ২০১৫ সালের তথ্য দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
রিপোর্টে দেখা যায়- ২০১৮ সালে বাংলাদেশে হতদরিদ্রের হার ছিল ১৬.১৯। যা ২০৩০ সালে হবে ০.৮৩। ভারতে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ২৪ শতাংশ হতদরিদ্র লোক থাকে। এ ছাড়া নাইজেরিয়ায় ১২ শতাংশ, কঙ্গোতে ৭ শতাংশ, ইথিওপিয়ায় ৪ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ৩ শতাংশ হতদরিদ্র লোক বসবাস করেন।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে ২০৩০ সালের মধ্যে সারা বিশ্ব থেকে দারিদ্র্য নির্মূল বা জিরো পভার্টির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর মানে হলো সারা বিশ্বের দারিদ্র্য হার ৩ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা হবে। যেখানে এই রিপোর্টে বলা হচ্ছে সেসময় বাংলাদেশ হতদরিদ্র মানুষের সংখ্যা শূণ্য কোঠায় নামাতে না পারলেও অনেক উন্নতি করবে। বাংলাদেশ এভাবে এগিয়ে গেলে ২০৩০ সালে দেশটিতে হতদরিদ্র মানুষ থাকবে ০.৮৩ শতাংশ বা ৮ লাখ ৩০ হাজার মানুষ।
২০১৫ সালে বাংলাদেশে ১ কোটি ৬২ লাখ মানুষ হতদরিদ্র ছিল। ভারতে ৯ কোটি ৬৬ লাখ, নাইজেরিয়ায় ৯ কোটি ৯২ লাখ, কঙ্গোয় ৬ কোটি ৭ লাখ এবং ইথিওপিয়ায় ২ কোটি ১৯ লাখ হতদিরদ্র মানুষ বাস করে।
গত সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েলথ-এক্স বলেছে, অতি ধনী বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ প্রথম। গত বুধবার একই প্রতিষ্ঠান আরেকটি প্রতিবেদনে বলেছে, ধনী বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ তৃতীয়। আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশে ধনী মানুষের সংখ্যা ১১ দশমিক ৪ শতাংশ হারে বাড়বে।

সূত্র: আরটিভি অনলাইন ডেস্ক।

Did you find apk for android? You can find new Free Android Games and apps.

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.