দায়িত্ব নেওয়ার পর সোমবারই (২১ অক্টোবর) প্রথম বাফুফেতে যান আসিফ মাহমুদ। উপদেষ্টার বাফুফে সফরের সময় বাফুফে সভাপতি এবং বর্তমান কমিটির তেমন কাউকে দেখা যায়নি। উপদেষ্টাকে বাফুফেতে স্বাগত জানান সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার।বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাচনকে সামনে রেখে বাফুফে ভবনে গিয়েছিলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। সেখানে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপের পর গণমাধ্যমে কথা বলেন তিনি। এসময় বাফুফের আসন্ন নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানান উপদেষ্টা।এসময় বাফুফের নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নিজের অসন্তোষের কথা জানান ক্রীড়া উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘পূর্বের কাউন্সিলরদের স্বস্থানে রেখে নির্বাচনটা হওয়ার বিপক্ষে আমি, এখনো আমি বিপক্ষে। কিন্তু ফিফার নিয়ম এবং বাফুফের যে স্বায়িত্ব শাসন এটার প্রতি আমাদের সম্মান রাখতে হবে।’
বাফুফের নির্বাচন আদৌ গ্রহণযোগ্য হবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ, ‘আপনারা জানেন আমরা এরইমধ্যে জেলা ক্রীড়া সংস্থার (ডিএসএ) সকল কমিটি আমরা ভেঙে দিয়েছি। কিন্তু জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফএ) রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে এই নির্বাচন কতটুকু গ্রহণযোগ্য হবে তা আমার জানা নেই। ইতিমধ্যে অনেকেই তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এখান কতটুকু প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে আমরা বুঝতে পারছি না।’
বাফুফের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, এবারের বাফুফে নির্বাচনে মোট প্রার্থী ৪৬ জন। ১৫ নির্বাহী সদস্যের বিপরীতে প্রার্থী ৩৭ জন। সহসভাপতির চার পদের বিপরীতে ৬ জন, সিনিয়র সহসভাপতি পদে ১ জন আর সভাপতি পদে ২ জন প্রার্থী। আগামী ২৬ অক্টোবর ১৩৩ জন কাউন্সিলর ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে বাফুফের নতুন কমিটি নির্বাচন করবেন।