মিলন খান, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার খোকসা ভবানীপুর বাজারে ঔষধ ফার্মেসী দোকানদার ডাঃওয়াসিম হোসেন ভুল চিকিৎসা দিয়ে মোছাঃ সুরজান খাতুন (৪৮) স্বামীঃ দাউদ মিয়া, গ্রামঃ সামপুর এর এক মহিলাকে ভুল চিকিৎসা দিয়ে পঙ্গু করে দিয়েছেন।
জানা যায় ড়াঃ ওয়াসিম এর কাছে মাজার ব্যাথার চিকিৎসা নিতে আসে সুরজান খাতুন, এভাবে দীর্ঘদিন যাবত তিনি সমাজের অসহায় গরিব রুগীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে হাজার হাজার টাকা কামিয়ে নিয়ে গরীব মানুষের ভিটামাটি হীন করছেন। মোছাঃ সুরজান খাতুন এর অবস্থার অবনতি হলে আজ সকালে খোকসা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।পরে বিষয়টি গুরুতর হলে খোকসা হাসপাতালের কর্মকর্তা ড়াঃকামরুজ্জামান সোহেল তাকে চিকিৎসা দেন এবং তিনি বলেন রুগিকে ডিজ লোকেশানে ইনজেক্ট করার ফলে তার হাতে পচন ধরেছে বলে জানান।
বিষয়টি সত্যটা যাচায়ের জন্য হাতুরে ড়াঃ ওয়াসিম হোসেন কে খবর দিলে তিনি দেখা করেন, তাকে বলা হয় লেখাপড়া কি পযন্ত প্রশ্নে তিনি বলেন আন্ডার মেট্রিক পাশ, তাছাড়া গ্রামীণ ডাক্টারের কোনও প্রশিক্ষন এ নেই তার
এ কথা শুনে গরিব কৃষক দাউদ মিয়া ও তার মেয়ে হাতুরে ডাঃওয়াসিম এর কাছে প্রতিকার চেয়ে বলেন, আপনার কারনে আমার মায়ের হাতে পচন ধরেছে এবং আপনার কারনে আমাদের হাজার হাজার টাকা ক্ষতি হয়ে গেছে এখন আর আমার মায়ের চিকিৎসার ঔষধ কেনার টাকা নেই
তখন এ কথা শোনামাত্র হাতুরে ড়াঃ তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন অপমান জনক আচরন করে বলে জানান।
মোছাঃ সুরজান খাতুন বলেন আমার চিকিৎসার ঔষধ কেনার সার্ধ আমার নেই। এ ভাবে চিৎকার করে কানতে থাকে। খোকসা হাসপাতালে এ সময় সাধারন মানুষ যরো হয়ে এ সব হাতুরে ডাক্তার দের ধির্কার দেন এবং শাস্তির দাবি জানান। এ মতো অবস্তায় দৈনিক সোনালী খবর প্রত্রিকার সাংবাদিক উপস্তিত হয়ে ঘটনাটি তুলে ধরেন।
এই অসহায় মহিলাটি এখন কার কাছে হাত পাতবে কে দিবে এর চিকিৎসার টাকা, কার কাছেই বা পাবে এর সুবিচার ???