চট্টগ্রাম : আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দিন শিক্ষা ও বৃত্তি পরিষদ উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতেনেন সকাল ১০টায় সংগঠনের কার্যলয়ে বঙ্গবন্ধু ভাষণ প্রচার, কালো ব্যাচধারণ, ১১টায় শোকর্যালী শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ও সংগঠনের সভাপতি ফয়সাল বাপ্পি।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা মঞ্জুর হোসেন, হুমায়ুন কবির, পূর্বষোল শহর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব আশরাফুল আলম, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য কে.এম.শহিদুল কাউসার, আওয়ামীলীগের নেতা কাবেদুল রহমান কচি, মিনহাজুল আবেদীন সায়েম, এস.এম.জেড খসরু, এস.এম. শফিউল বাহার, ইমতিয়াজ উদ্দিন লিটন, দিদারুল আলম, শাহরিয়া নাহিদ রবি, সানিমুল হুদা শরিফ, আব্দুল্লাহ আল সুমন, নবী আলম সাহেল, তুষার সম্পদ, আব্দুল্লাহ আল একে.খাঁন, ইমরান হোসেন রিদয়, আব্দুল্লাহ আল হাসান রিপন, রাজিব, অনিক দাশ, আতিকুর রহমান, মহিবুল ইসলাম শুব, রিদুয়ানুল ইসলাম, মো: আশরাফ, এম আর কে আবিদ, মোঃ রশিদ রাফি আজাদ, অভিদাশগুপ্ত, মোহাম্মদ জাহেদ হাসান, সজিব সোহান, মো: শেখ আজম, মোহাম্মদ সানি, মো: মাসে উদ্দীন হারুন, শফিউল আজম, মিনহাজ উদ্দিন রাকিব, হানিফ, সাহেদ আমিন, আবু বক্কর, সাইফুদ্দিন, ইকবাল, ফরহাদসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ ।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব-পরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সূর্যকে চিরতরে অস্তমিত করার নীলনকশা অঙ্কিত হয়। তবে বঙ্গবন্ধু তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যে দিয়ে সেই নীলনকশা সফল হয়নি। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবী করেন বক্তরা। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের আসামীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করা হয়।