ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, দক্ষিণের ১৫টি ও উত্তরের ৮টি হাটসহ কোরবানীর পশুর বর্জ্য অপসারণে প্রায় ১৭ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজ করবে। তিনি বলেন, এবার দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার পশু কোরবানি হতে পারে। এ কারণে ঈদের তিন দিন অতিরিক্ত প্রায় ২৫ হাজার টন বর্জ্য উৎপন্ন হবে। এর মধ্যে দক্ষিণে ১৮ হাজার টন এবং উত্তরে ১০ হাজার টন।
মেয়র বলেন, কোরবানীর পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণে দুই সিটি কর্পোরেশনের ১৭ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারির ছুটি বাতিল করা হয়েছে। রাজধানীতে পশু কোরবানির জন্য ১ হাজার ১৭৪টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ৬২৫টি এবং উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ৫৪৯টি। পশু জবাইয়ের জন্য এসব স্থানে ১ হাজার ২১৭জন ইমাম ও কসাই উপস্থিত থাকবেন। এর মধ্যে দক্ষিণে ৬২৫জন ও উত্তরে ৫৯২জন বলে তিনি জানান।
নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাঈদ খোকন বলেন, বাড়ির সামনের রাস্তায় কোরবানী না করে নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করলে বর্জ্য অপসারণ সহজ হয়।
বাড়ির ভেতরে কোরবানি করলেও নির্ধারিত ব্যাগে ময়লাগুলো বাইরে এনে রাখার জন্য অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের জন্য দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবার আড়াই লাখ চটের ব্যাগ এবং উত্তর সিটি কর্পোরেশন ৪ লাখ ৫৫ হাজার পলিব্যাগ সরবরাহ করবে।
মেয়র বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক অসুস্থ্য হয়ে বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকায় দুই সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আলাদাভাবে হলেও সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, কোরবানীর পশুর বর্জ্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপসারণ করে ঢাকার মানুষকে একটি বর্জ্যমুক্ত নগরী উপহার দেয়ার ব্যাপারে ইতোমধ্যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি বলেন, ‘ঈদের দিন দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশন কোরবানির পশু বর্জ্য অপসারণ করবে। বর্জ্য অপসারণে গতি আনতে দুই সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।’
তিনি জানান, কোরবানীর পশুর বর্জ্য অপসারণে ০৯৬১১০০০৯৯৯ হটলাইন চালু করা হয়েছে। নগরবাসীকে বর্জ্য অপসারণ সংক্রান্ত যে কোনো অভিযোগ বা পরামর্শ এই নম্বরে করতে বলা হয়েছে। বাসস