এম আরমান খান জয়, গোপালগঞ্জ : বন্যার পানি কমার সাথে সাথে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিনে আবস্থিত পার-করফা, জয়বাংলা গ্রাম থেকে লংকারচর ঘাট পর্যন্ত অতিমাত্রায় নদী ভাঙন শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। এ পর্যন্ত ভাঙ্গনে ৫০-৬০ টি ঘর-বাড়ি ও আবাদি জমি বিলিন হয়ে গেছে। ভুক্তভোগীরা সব কিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পথে বসতে বসেছে।
জানা যায়, এর মধ্যে আনেকেই খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। দু বেলা দু-মুঠো খেয়ে পরে বাঁচার মত অবস্থা নেই তাদের। এমতাবস্থায় তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে ।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ডুয়েট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রী সাথী আক্তার জানান, জরুরী ভিত্তিতে যদি চরভাটপাড়া হতে লংকারচর পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার নদী বাঁধ দেওয়া না হয় তাহলে আরও শত শত মানুষ বাড়ি ঘর হারিয়ে সর্ব শান্ত হয়ে পড়বে।
তিনি আরও বলেন, এলাকার অনেকেই নদী ভাঙ্গন ব্যাপারে বিভিন্ন উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের জানানো হলেও এ পর্যন্ত কোন ব্যাবস্থা নেওয়া হয়নি। কোন মিডিয়ায় খবর প্রকাশ হয়নি এখনো। দেশের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ বন্যা মোকাবেলা করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা ঠিক সেই সময় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর নদী ভাঙ্গন কবলিত পার-করফা, জয়বাংলা ও লংকারচর বাসীদেরকেও রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানান সাথী আক্তার।
এ ব্যাপারে মেম্বার মো: আব্দুল আলী মিয়া জানান, বন্যা কবলিত গ্রাম তিনটির মানুষ-জন খুব গরিব। ব্যাক্তি উদ্যোগে এদের কিছু করার সামর্থ নেই। আমরা বারবার মুকসুদপুবের এমপি মো: ফারুক খানসহ বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করেছি। কিন্তু নদী ভাঙ্গন রোধে কেউ এগিয়ে আসেন নাই।