থানছিতে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা তিন্দু ঝিঁড়ি ঝর্ণা

0

চহ্লামং মারমা (চহ্লা),থানছি(বান্দরবান) প্রতিনিধি: বান্দরবানে থানচি উপজেলায় তিন্দু এলাকায় ভ্রমন পিপাষুদের জন্য আরেকটি মনগড়ার ঝর্ণা হচ্ছে “তিন্দু ঝিঁড়ি ঝর্ণা”। প্রিয়জনদের সাথে আনন্দে উপভোগ ভাগাভাগি করতে মন চাইলে সে বিখ্যাত নামকরন নাফাখুং চাইতে ও আপনাকে আনন্দ ভরিয়ে দেবে।শুধু তা নয় পাশাপাশি রাজার পাথর(বংড ক্যলুং),আর কুমারি নামে প্রচলিত ঝর্ণাটি ও দেখা মিলবে।
তিন্দু বাজারে ঝিঁড়ি ভিতরে অবস্থিত এ ঝর্ণাটি, প্রকৃতির খেয়ালে সৃষ্টি হয়েছে চমৎকার এক ঝর্ণা! সূর্যের আলোয় যেখানে নিত্য খেলা করে বর্ণিল রংধনু! ভরা বর্ষায় তিন্দু ঝিঁড়ি ঝর্ণাটি জলপ্রবাহ নিতান্ত কম নয়। প্রায় যেন উজানের আমিয়াকুং ও সাতভাইকুং ও হার মানে। উপজেলা তিন্দু বাজার থেকে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটে সময় ব্যয় করে সামান্য নৌকা আর হেটে গেলে দেখা মিলবে বিড়ল সুন্দর প্রাকৃতিক জ্বলে ভরা ঝর্ণাটি।
কিভাবে যাবেন ঝর্ণাটি?

বান্দরবান শহর থেকে থানচি উপজেলা সদরের দূরত্ব ৮২ কিঃমিঃ। রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীতে বান্দরবান থেকে থানচি যেতে সময় লাগবে ৩ ঘন্টা। থানচি থেকে তিন্দু বাজার আবার ৫ মিনিটে মত নৌকায় হয়ে ২০মিনিটের মত হাটঁলে দেখা মিলবে ঝর্ণাটি।
তিন্দু সম্পর্কে জেনে নিন এবারঃ

বাংলাদেশের ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দের আদমশুমারি অনুযায়ী তিন্দু ইউনিয়নের জনসংখ্যা ২০৪৮ জন। সাক্ষরতার হার ৪.৬%। তিন্দু ইউনিয়নে মাতৃতান্ত্রিক বসবাসরত্ব মারমা ও মুরং। এরপর আদমশুমারী এই এলাকায় আর হয়নি। তিন্দু ইউনিয়ন বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। প্রাকৃতিক আকর্ষণের কারণে এ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী পর্যটকদের কাছে অঞ্চলটি একটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান। তিন্দু ইউনিয়নের আয়তন ১,১২,৬৪০ একর (৪৫৫.৮৪ বর্গ কিলোমিটার)।
সাঙ্গু নদী এই উপজেলার বুক চিরে বয়ে চলেছে। তিন্দু ইউনিয়নের উত্তরে থানচি ইউনিয়ন, দক্ষিণে রেমাক্রি ইউনিয়ন, পূর্বে বার্মা (মায়ানমার) সীমান্ত।

এ আদিবাসীদের মধ্যে প্রধান ফসল রয়েছে ধান, তিল, হলুদ, আদা, শাকসবজি, কাঁঠাল, কলা ইত্যাদি। তিন্দুতে রয়েছে একটি বাজার এবং একটি বৌদ্ধ মন্দির। 

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.