হযরত বেল্লাল, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ সেতুর সংযোগ সড়কে দেয়া হয়েছে বাঁশের সাঁকো। ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরা। একটানা বন্যার প্রবল স্রোতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের সুন্দরগঞ্জ-পঞ্চানন্দ সড়কের রামডাকুয়া ব্রিজের দুই পাশে^র সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে যায়।
এমনকি ব্রিজটি দেবে যায়। যার কারণে তিস্তার চরাঞ্চলের ২০ গ্রামের মানুষজন অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। বিশেষ করে স্কুল ও কলেজ গামী শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে চলাছল করছেন। এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালভাট নির্মাণ প্রকল্পের ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে ৩০ লাখ ৯০ হাজার ২০ টাকা ব্যয়ে ৪০ ফিট দীর্ঘ ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। সম্প্রতি সাংসদ গোলাম মোস্তফা আহমেদ এর উদ্বোধন করেন। ্ ওই ব্রিজেটি পশ্চিম পাশে প্রায় ৫০০ মিটার লম্বা একটি ব্রিজ গত ৫ বছর আগে বন্যার স্রোতে ভেসে গেছে।
যার কারণে উপজেলার হরিপুর, তারাপুর, বেলকা, কাশিম বাজার ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষজনের যাতায়াতের এক মাত্র মাধ্যম হচ্ছে নৌকা এবং বাঁশের সাকোঁ। প্রতিদিন হাজরও স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থী চলাচল করেণ ওই পথে। যথা সময়ে নৌকা না পাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী সময়মত প্রতিষ্ঠানে পৌছঁতে পারেনা।
তালুক বেলকা গ্রামের কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম জানান, খেয়া ঘাটে এসে আমাদের ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতে হয়। এছাড়া রামডাকুয়া ব্রিজের দুই পাশ^ ভেঙ্গে যাওয়ায় অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে। বর্তমানে স্থানীয় উদ্যোগে ওই ব্রিজের দুই পাশে বাঁশের সাকোঁ দেয়া হয়েছে।
ব্রিজের দুই পাশে মাটি ভরাট করা একান্ত প্রয়োজন। বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের মাল নিয়ে আসা যাওয়া অনেক কষ্ট হচ্ছে। বেলকা ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্ল্যাহ জানান, বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতা নুরুন্নবী সরকার জানান বন্যার স্রোতে ব্রিজের দুইপাশ ভেঙ্গে গেছে। অতি দ্রুত মাটি ভরাট করা হবে।