তরুণদের জন্য আধুনিক ফ্যাশনে প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে নতুন মাত্রা। পোশাকের রংঢং যেন বদলে দেয় প্রকৃতি। আর এবারের শীতে তরুণদের শীত নিবারণের পাশাপাশি স্টাইল মেইনটেইন করাটাও জরুরি হয়ে পড়েছে। তাই শীতের ভারী পোশাক জ্যাকেটেও এসেছে নতুনত্বের ছোঁয়া, এ নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন-
ব্লেজার ও জ্যাকেটের বর্তমান বাজারে: পুরোদস্তুর আনুষ্ঠানিক ব্লেজার নয়, ক্যাজুয়াল ব্লেজারই বেশি চলছে বাজারে। চামড়ার জ্যাকেটে আছে নানা রঙের খেলা। ইস্পাতের বোতামের ব্যবহার জ্যাকেটগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। চামড়ার এক রঙের জ্যাকেট ছাড়াও আছে চেকের নকশার জ্যাকেট। কোনোটিতে আবার কাপড়ের সঙ্গে চামড়ার ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া ডেনিম কাপড়ের তৈরি নানা ধরনের ব্লেজার চলছে এবারও। নতুন ট্রেন্ড হিসেবে মখমলের নকশা করা ব্লেজার এসেছে এবার। জ্যাকেট ও সেমি-স্যুট ধাঁচের এসব মখমলের পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে পারেন উজ্জ্বল রঙের প্যান্ট।
একের ভেতর দুই অর্থাৎ অফিসে পরা যায় আবার বাইরে কোনো পার্টিতেও ঠিকমত মানিয়ে যায়, এমন ব্লেজার কিনছেন অনেকে। জ্যাকেট বা ব্লেজারের ভেতরে আগে একটা সাধারণ কাপড় ব্যবহার করা হত। কিন্তু এবার সেখানে নকশার অংশ হিসেবেই দেখা যাচ্ছে বৈচিত্র্যময় কাপড়।
দরদাম: চামড়ার জ্যাকেট কেনা যাবে ২০০০ থেকে ৬০০০ টাকায়। ব্লেজারের দাম পড়বে ১৮০০ থেকে ৪৫০০ টাকা, গ্যাবার্ডিন কাপড়ে তৈরি ব্লেজারের দাম পড়বে ১২০০ থেকে ৩০০০ টাকা, রেইনকোটে যে ধরনের কাপড় ব্যবহার হয় তেমন চকচকে পানিরোধী উপাদানে তৈরি পাতলা জ্যাকেটের দাম পড়বে ২০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা, মখমলের ব্লেজারের দাম পড়বে ৪০০০ থেকে ৬০০০ টাকার মধ্যে, মোটা সুতি কাপড়ের ব্লেজারের দাম ৫০০০ টাকার মধ্যে। খাদি কাপড়ের তৈরি ব্লেজারগুলোর দাম শুরু ১২০০ টাকা থেকে।
যেখানে পাবেন: রাজধানীর ফ্যাশন হাউস ওটু, আর্টিস্টি, ফ্রিল্যান্ড, ক্যাটস আই, একস্ট্যাসি, স্মার্টেক্স, প্লাস পয়েন্ট, তানজিম স্ট্রিট, ইনফিনিটিসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসে পাবেন। এছাড়া ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স, নিউমার্কেট, বঙ্গবাজার, ইসলামপুর, বদরুদ্দোজা সুপার মার্কেট, প্রিন্স প্লাজাসহ বিভিন্ন শপিং মলে পাওয়া যাবে ব্লেজার বা জ্যাকেট।