খালেদা জিয়ার জামিন ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়লো

0

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার যুক্তিতর্ক শুনানি পিছিয়ে ৫ সেপ্টেম্বর নতুন করে দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। একইসঙ্গে খালেদার জামিনও ওইদিন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে মামলাটির যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ওই একই দিন ধার্য করেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ আদেশ দেন। এদিন মামলাটি যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়নি।

এ জন্য খালেদা জিয়ার জামিন বৃদ্ধির আবেদন করেন তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ধার্য করে ওই দিন পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিন বৃদ্ধির আদেশ দেন।

খালেদার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বলেন, নিয়মিত বিচারক ছুটিতে থাকায় বকশি বাজারের অস্থায়ী আদালতে মামলার শুনানি হয়নি। ভারপ্রাপ্ত জজ তার এজলাসেই নতুন দিন ধার্য করেন। মামলাটির যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে হাজির না করে কাস্টডি ওয়ারেন্ট পাঠান কারা কর্তৃপক্ষ। কাস্টডিতে লেখা হয়, খালেদা আজ শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি। অপরদিকে খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আইনজীবীরা তার জামিন বৃদ্ধির আবেদন করেন।

খালেদা জিয়ার আরেক আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া এসব তথ্য জানান। এদিন দুদকের পক্ষে ছিলেন মোশাররফ হোসেন কাজল।

চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চারজন। খালেদা জিয়া ছাড়া অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন- খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ৩২ জন সাক্ষী। ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়। এ ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে মামলাটি করে দুদক।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.