গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া -পয়সারহাট -কান্দি- রাজৈর সড়কে নেই কোন যাত্রী ছাউনি ও গণশৌচাগার নেই ,জনদুর্ভোগ চরমে। কোটালীপাড়া, উজিরপুর-নাজিরপুর-আগৈলঝাড়ার পাশ্ববর্তী এলাকা হওয়ায় এইসব এলাকাবাসীর চলাচলের মাধ্যম এই কোটালীপাড়া। এসব এলাকার সাধারন জনগন খুলনা-বরিশাল-ঢাকা-বোনাপোল-গোপালগঞ্জ জরুরি কাজে যাওয়াতের জন্য কোটালীপাড়া বাসস্টান্ডে এসে ভিড় জমায়। যাত্রীদের জন্য যাত্রী ছাউনি না থাকায় রৌদ-বর্ষামৌসুমে তাদের ভোগান্তির শেষ থাকে না। বর্ষা মৌসুমে এসব দূর-দূরান্ত যাওয়ার যাত্রীরা উপায়ন্ত না পেয়ে দোকান পাটে আশ্রয় নেয়।
বিশেষ করে কোটালীপাড়া- গোপালগঞ্জ সড়কে কোটালীপাড়া পশ্চিমপাড় বাসস্টান্ড, ঘাঘরবাজার মহুয়ারমোড়, মাঝবাড়ী, কাজুলিয়া, কাঠিবাজার, মাঝিগাতি। কোটালীপাড়া-রাজৈর সড়কে ছিকুটিবাড়ী স্টান্ড রাধাগঞ্জ, কদমবাড়ী, কলাবাড়ী, রামনাগর। পয়সারহাট সড়কে- সিকিরবাজার স্টান্ড, অবদারহাট, নাগরা, পয়সারহাট। কান্দি সড়কে- ধারবাশাল স্টান্ড, চৌধুরীরহাট এসব স্থানে যাত্রী ছাউনির বিশেষ প্রয়োজনের তাগিদে এলাকাবাসী উর্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।
তাছাড়াও এখানে নেই দূরপাল্লার বাসগুলোর যাত্রীদের আগমন-নির্গমনের টার্মিনাল, নিদেনপক্ষে বাসগুলোর দাঁড়াবার সুনির্দিষ্ট স্থান। বিভিন্ন জেলা থেকে আগত যাত্রীদের জন্য আধুনিক যাত্রী ছাউনি, শৌচাগার, ওভারব্রিজ কিছুই নেই। প্রতিদিন হাজার হাজার পুরুষ, মহিলা ও শিশু যাত্রীদের এখান থেকে বিভিন্ন রুটে গাড়ি পরিবর্তন জনিত কারণে অনেকটা সময় অপেক্ষা করতে হয়। সড়কের অপ্রশস্থতার কারণে এবং বাসগুলোর দাঁড়াবার সুনির্দিষ্ট স্থান না থাকায় এবং বিভিন্ন রুটের চলমান যানবাহনের ভিড়ে এখানে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। দেশের এমন একটি ব্যস্ত তম স্থানের উন্নয়নে সড়ক ও জনপথ বিভাগ আজও সুনির্দিষ্ট কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করেনি।
যেখানে বাসের জন্য অপেক্ষমান যাত্রীরা বাধ্য হয়ে অবস্থান করে নিবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ দূরপাল্লার বাসের জন্য স্থান বরাদ্দ করেনি। অথচ এখানে সড়ক জনপথ বিভাগের পর্যাপ্ত জমি রয়েছে। কর্তৃপক্ষ অনতিবিলম্বে এ সব সড়কে এক এক টি স্বয়ংসম্পূর্ণ যাত্রী ছাউনি ও গণশৌচাগার সহ বাস টার্মিনাল করবেন এটাই যাত্রীসাধারণের প্রত্যাশা।