গোপালগঞ্জে শেষ সময়ে সরগরম দর্জিপাড়া, ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জি শ্রমিকেরা

0

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : ঈদ তাই শেষ সময়ে সরগরম এখন গোপালগঞ্জের দর্জিপাড়া। অনেক ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জি শ্রমিকেরা। বিশ্রাম নেওয়ার যেন কারো ফুরসত নেই। কাষ্টমারের কাছ থেকে নেয়া অর্ডার সময় মত ডেলিভারী দিতে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। ঈদের বেশ কিছু দিন আগেই অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন এমনটি জানিয়েছেন মলিক ও শ্রমিকেরা।
গোপালগঞ্জ জেলা শহরের দর্জিপাড়া ঘুরে দেখা গেছে, জেলা শহরের বাসিন্দা বেড়েছে, বেড়েছে আর্থিক সচ্ছলতা। আর তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ঈদের কেনাকাটা এবং পোষাক তৈরীর কাজ। তাই গোপালগঞ্জের ঈদের বাজার এখন জমজমাট। পরিবারের জন্য কিনছেন নতুন জামা কাপড়। বিশেষ করে যারা ছিট কাপড়ের দিয়ে পোশাক তৈরী করবেন এখন তাদের আনাগোনাই এখন বেশী। আগে ভাগে কাপড় কিনে না দিতে পারলে সময় মত তা ডেলিভারী পাবেন না এ আশংকায় সকলেই ছুটছেন দর্জিবাড়ি। তাই ক্রেতাদের পদচারণায় এখন মুখোরিত দর্জিপাড়া। দিন যত যাচ্ছে দর্জি শ্রমিকদের কাজের চাপও তাই বাড়ছে। মেশিনর খট খট শব্দে মুখোরিত হয়ে উঠেছে দর্জিপাড়া।
গত বছরের তুলনায় এ বছর কাজের চাপ বেশী। তাই নাওয়া-খাওয়া ভূলে দিন রাত কাজ করে পোশাক তৈরী করে যাচ্ছেন দর্জি শ্রমিকেরা। যে কোন ভাবে সময় মত লোকজনকে পোষাক তৈরী করে তা ডেলিভারী দিতে হবে।
এদিকে প্রচুর পরিমানে অর্ডার হওয়ায় শ্রমিকদের সাথে সাথে ঘুম নেই দোকান মালিকদেরও। কি ভাবে কাপড় ডেলিভারী দিবেন সে চিন্তায় রয়েছেন তারা। অধিক পরিমানে অর্ডার থাকায় অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন তারা।
ক্রেতারা জানান, মার্কেটে পছন্দ মত পোষাক না পাওয়ায় কাপড়ের দোকান থেকে জামা-প্যান্ট বানাতে দিচ্ছি। যাতে ঈদের আগেই পেতে পারি। কিন্তু অর্ডার বেশি থাকায় অনেক টেইলার্স অর্ডান নিচ্ছে না। ফলে বিভিন্ন দোকানে ঘুরতে হচ্ছে আমাদের।
দর্জি ভবেশ বিশ্বাস বলেন, শেষ সময়ে ক্রেতারা দর্জি পাড়ার দিকে বেশি ছুটছেন। কাপড়ের দোকান থেকে কাপড় কিনে ঈদে নিজের পছন্দ মত পোশাক বানাতে ছুটছেন। ফলে প্রচুর চাপ বেড়ে গেছে। নাওয়া-খাওয়া ভুলে দিন রাত কাজ করতে হচ্ছে। যে কোন ভাবে সময় মত লোকজনকে পোষাক তৈরী করে তা ডেলিভারী দিতে হবে।
দোকান মালিক লিটন সাহা জানান, পোশাক তৈরী করতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রচুর পরিমানে অর্ডার পাওয়ায় অন্য অর্ডার গুলো ছেড়ে দিতে হচ্ছে। যা রয়েছে তা ঠিক মত ডেলিভারি দিতে পারব কিনা তা নিয়ে সংশয়ের মধ্যে রয়েছি। তাই আপাতন অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.