এম. অলি. উল্যাহ্ নিজামী, মীরসরাই প্রতিনিধি : সীতাকুন্ডের ২নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের মোঃ আলী হোসেন মানিক (২৬) গত ২৬/০৬/২০২০ইং তারিখ শুক্রবার সন্ধ্যা অনুমান ৬.০০ ঘটিকা থেকে তিনি নিখোঁজ হন। তিনি পেশায় একজন ড্রাইভার ছিলেন। ড্রাইভার পেশায় কর্মরত ছিলেন প্রাইভেট একটি কোম্পানীতে। কোম্পানী উত্তপ্ত তরল ভিটুমিন সেল করতেন। নিখোঁজের ১২ দিন পর আলী হোসেনের বোন কোহিনুর আক্তার বাড়ী হয়ে সীতাকু- মডেল থানায় একটি জিডি করেন। যার নাম্বার ৩৭৪ ০৮/০৭/২০২০ইং।
এই ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি ন্যাশনাল নিউজকে জানান আমরা এই ব্যাপারে তদন্ত চালাচ্ছি। তদন্তের প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। তিনি যেই কোম্পানীতে কর্মরত ছিলেন সেই কোম্পানীর চেয়ারম্যান অর্থাৎ মালিক পক্ষ থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তদন্তের সার্থে আমরা সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
নিখোঁজ আলী হোসেনের বোন মোছাম্মৎ কোহিনুর আক্তারকে জিজ্ঞেস করলে তিনি ন্যাশনাল নিউজকে জানান আমার ভাইয়া নিখোঁজ হওয়ার ১৫ মি. আগে আমার সাথে কথা বলেছিল। কিন্তু রাত ৮.০০ ঘটিকার সময় যখন মোবাইলে কল দিই তখন মোবাইলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন। অতপর ৭-৮দিন পর অনেক খোঁজা-খুঁজির করেও কোন সন্ধান না পাইয়া মালিক পক্ষকে ফোন দিই। মালিক পক্ষও জানাই যে, তোমার ভাই আমাদের গাড়ি নিয়ে কোথায় পালিয়ে গেছে। এরপর মালিক বলে যে, আমরা থানায় যাচ্ছি ওর বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য।
এই ব্যাপারে কোম্পানীর মালিককে টেলিফোনের মাধ্যমে জিজ্ঞেস করলেতিনি ন্যাশনাল নিউজকে জানান আমরা গাড়িটি বারৈয়ারহাট মুহুরীগঞ্জ থেকে রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার করি কিন্তু গাড়িতে কোন ভিটুমিন ছিল না গাড়ি খালি। গাড়িটি বাইরে থেকে লক লাগানো ছিল। মালিক পক্ষ দাবি করে আসছে এই গাড়ির মধ্যে থাকা ভিটুমিন গুলি আলী হোসেন বিক্রী করে দিয়েছেন। যার কাছে বিক্রী করেছেন তার সাথে মালিক পক্ষের সাথে যোগাযোগ হয়েছে বলে মালিক পক্ষ দাবী করছে। আলী হোসেনের এক স্ত্রী দুটি সন্তান রয়েছে। তার স্ত্রী ও মায়ের আহাজারীতে এলাকায় নেমে
আসে শোকের ছায়া। তাদের পরিবারের দাবী তার ছেলে বাংলাদেশ সরকারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন তাদের ছেলেকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়।