জাহিদ শিকদার, জেলা প্রতিনিধি (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর বাউফল মডেল থানা ভবন হস্তান্তরের আগেই দেয়ালে ফাটল ধরেছে , খসে পরছে প্লাস্টার।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গনপূর্ত বিভাগের অধিনে ১৩-১৪ অর্থ বছরে ৬ কোটি ২৩ লাখ টাকায় বাউফল মডেল থানার দরপত্র আহবান করা হয়। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গিয়াস উদ্দিন ৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকায় নিম্ন দরে ভবনটির কাজ পান। ১৮ মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে ভবনটি হস্তান্তরের কথা থাকলে ৩৬ মাসেও তা সম্ভব হয়নি। ভবনটির বাইরে ও ভিতরে রংয়ের কাজ শেষ হলেও বাউন্ডারি ওয়াল ও আভ্যন্তরিণ সড়ক নির্মাণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ এখনও শুরু হয়নি।
বাউফল মডেল থানা ভবনটি হস্তান্তরের আগেই বিভিন্ন জায়গায় চিলি ফাটল দেখা দিয়েছে। প্লাস্টার খসে পরছে। দেয়ালে লোনায় ধরেছে। ভবনের দরজার, জানালা , স্যানিটেশন , বিদ্যুৎ ও ফিটিংসের কাজ হয়েছে অত্যান্ত নিম্নমানে। অভিযোগ রয়েছে, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ভবনটির কাজ করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ভবনটির স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। অপর দিকে পুলিশ হেডকোয়াটার থেকে ৩ -৪ মাস আগে ভবনে ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন আসবাবপত্র সরবরাহ করা হলেও তা ব্যবহার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে গনপূর্ত বিভাগের পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন , ভবনটি হস্তান্তরের আগেই ব্যবহার শুরু হয়েছে। পুলিশ হেডকোয়াটারের পছন্দ অনুযায়ি ফিটিংস ক্রয় করা হয়েছে। ভবনের ভিতরে দেয়ালে ঘসামাজা ও রং এর কাজ শেষ হয়নি , তাই ফাটল বা লোনায় ধরার প্রশ্নই আসেনা।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার গিয়াস উদ্দিনের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে বাউফল মডেল থানা ভবনের দেখ ভালের কাজে ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিয়োজিত আবদুস সালাম বলেন , সব ধরণের ত্রুটি বিচ্যুতি সেরে দেয়া হবে।