‘ভূতের সরকারের’ অধীনে নির্বাচন চান খালেদা জিয়া: তথ্যমন্ত্রী

0

সাংবিধানিক পথে না গিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ‘ভূতের সরকার’ প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। মঙ্গলবার (নভেম্বর ১৪) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রোববার (১২ নভেম্বর) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বক্তব্যের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘উনি (খালেদা জিয়া) পরিষ্কারভাবে বলেছেন, শেখ হাসিনার অধীনে তিনি নির্বাচন করবেন না। তিনি কখনও সহায়ক সরকার, কখনও নিরপেক্ষ সরকার, আবার কখনও নির্দলীয় সরকারের কথা বলেছেন। শেখ হাসিনার অধীনে বা সংবিধানের অধীনে নির্বাচন না করার ঘোষণার মধ্য দিয়ে তিনি কার্যত একটি ভূতের সরকারের অধীনে নির্বাচন করার কথা বলেছেন। তিনি একটি ভূতের সরকার, একটি অস্বাভাবিক সরকার প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র এবং চক্রান্তের পাঁয়তারা করছেন।’

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন না করার ঘোষণার মানে হচ্ছে তিনি বাংলাদেশকে সংঘর্ষের দিকে, অস্বাভাবিক পথে ঠেলে দেয়ার একটা চক্রান্তের চাল বুনলেন।তিনি সংবিধানের অধীনে নির্বাচন চান না। কার্যত ভূতের সরকারই প্রতিষ্ঠা করতে চান। যা বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক হবে।’

সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি হলে কিভাবে মোকাবেলা করবেন-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ইনু বলেন, ‘সাংবিধানিক এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্য দিয়ে যেভাবে অতীতে মোকাবেলা করেছি ঠিক একই পদ্ধতিতে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

মন্ত্রী বলেন, ‘২০০৮ সালের পর থেকে বেগম খালেদা জিয়া যে অস্বাভাবিক রাজনীতির পথ অনুসরণ করেছেন সেই অস্বাভাবিক রাজনীতি এখনও অনুসরণ করে চলেছেন। তিনি মোটেও বদলাননি, শোধরাননি।’

সমাবেশে সশস্ত্র বাহিনী বা সেনা মোতায়েনের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়া ষড়যন্ত্রের আভাস দিয়েছেন বলে দাবি করেন হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, ‘সমাবেশে তিনি সেনাবাহিনী সম্পর্কে কথা বলেছেন। অথচ অতীতে কোনো দিনই সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসির ক্ষমতা ছিল না। আমি এর ভেতরেও একটি ষড়যন্ত্রের বিষয় লুকোনো দেখছি।’

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.