এম হামিদুর রহমান লিমন, রংপুর অফিস: রংপুর জেলার সদর উপজেলার চেয়ারম্যান নাছিমা জামান ববি “ যিনি নিজেকে করোনা যুদ্ধে উৎসর্গ করেছেন মানব সেবায়” এমন বক্তব্য এলাকাবাসীর।
বাংলাদেশে যখন করোনার ভয়ে জনসাধারণ, কিছু মন্ত্রী, এমপি, নেতারা ঘড়ে অবস্থান করছেন। সেখানে তিনি নিজেকে ব্যাতিব্যাস্থ রেখেছেন করোনা সচেতনা মূলক কাজে। সূর্য উদয় থেকে শুরু করে মধ্য রাত থেকে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন মানবতার সেবায়। জন প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচানার শীর্ষে অবস্থান করছেন নাছিমা জামান ববি। নাছিমা জামান ববি করোনা মাঝে কর্মহীন মানুষদের পাশে দাড়াতে কখন পিছুপা হননি। তিনি এই করোনায় কর্মহীন মানুষের সেবায় নিজেকে সব সময় নিয়োজিত করেছেন। মানুষের পাশে দাড়িয়ে সেবা দিতে গিয়েই তিনি করোনা পজেটিভ বা করোনায় আক্রান্ত হন। তারপর তিনি করোনার সাথে যুদ্ধো করে বা সংগ্রাম করে করোনকে হার মানিয়েছে তিনি। তারপরেও থেমে থাকেনি তিনি। আবারো এই করোনায় মাঝে অসহায় কর্মহীন মানুষের দুঃখ আর কষ্ঠ গুলো ভাগাভাগী করে নিতে তাদের পাশে দাড়িয়েছেন মাদার তেরেসা বা গান্ধীজী বেসে।
সদর উপজেলাবাসীরা জানান, আমরা রংপুর সদর উপজেলার মানুষরা ভাগ্যবান যে আমার আমাদের সদর উপজেলার চেয়ারম্যান হিসাবে পর পর তিন বারে জন্য পেয়েছি নাছিমা জামান ববিকে। কোন অসহায় গরীব মানুষের কষ্ট আর দুঃখ দেখে তিনি আর দাড়িয়ে থাকতে পারেনা। সেই অসহায় গরীব মানুষের কষ্ট আর দুঃখ গুলোকে ভাগাভাগী করে নিতে তাদের পাশে দাড়ান তিনি। তিনি গরিব আর অসহায় মানুষের সেবায় নিবেদিত প্রাণ বলে দাবী সদর উপজেলা বাসির। তারা আরো জানান, আজ পযর্ন্ত উপজেলার চেয়ারম্যানের কাছে কেউ কোন কিছু চেয়ে পায়নি এমন সংখ্যা খুব কম। তিনি দয়ার সাগর, মমতাময়ী একজন নারী। তবে তিনি অন্যায় এর সাথে কখন আপোষ করেনি। তিনি একজন ন্যায়ের পথের যোদ্ধা ও পথিক।
সদ্যপুস্করিনী ইউনিয়নের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড এর মহিলা সংরক্ষণ আসনের সদস্য নাজনীন নাহার রিক্তা জানান, আমরা গর্বীত্ব যে আমরা এমন সৎ আর নিষ্ঠাবান উপজেলার চেয়ারম্যান পেয়েছি। তিনি বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক। তিনি ন্যায় প্রতিষ্ঠাতার ও মমতাময়ী মায়ের এক অন্যরকম উদাহরণ। তিনি দাবী করেন, রংপুর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান নাছিমা জামান ববি এই করোনা মহামারিতে উপজেলা বাসিদের পাশে মাদার তেরেসা ও গান্ধীজির বেসে হাজির হয়েছেন।
রংপুর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান নাছিমা জমান ববিকে মাদার তেরেসা বা গান্ধীজি অ্যাওয়ার্ড এ ভূষীত করার জন্য সরকার ও সরকারের সংশ্লিষ্টদেও হস্তক্ষেপ কামনা ও দাবী করেছেন রংপুর সদর উপজেলার সচেতন ব্যাক্তিরা, অসহায় মানুষসহ ব্যাক্তিরা।