রাবির হল থেকে ১২ শিবিরকর্মীকে পুলিশে দিলো ছাত্রলীগ

0

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে অভিযান চালিয়ে শিবিরের ১২ নেতা কর্মীকে ধরে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে ভৌর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হলের বিভিন্ন কক্ষ থেকে শিবির নেতা কর্মীদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে শিবিরের বিভিন্ন নথি, কম্পিউটার ও নগদ ১৯ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। আর মারধরের ঘটনায় গুরুতর আহত কয়েকজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. এম. আনিসুর রহমান সাহেবের সাথে আজ সকালে মুঠোফোনে কথা বললে, তিনি ন্যাশনাল নিউজ বিডি২৪ কে বলেন, আজ সকালেই আমি হল থেকে আসছি, তবে কে কোন কক্ষে থাকেন তিনি এখনো তাদের নাম ঠিকানা জানতে পারেন নি বলে ন্যাশনাল বিডি ২৪ কে জানান। কথোপকথন কালে তারা কতটুকু শিবিরের কার্যকলাপের সাথে জড়িত, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের কে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।তবে আজকেই আটক শিক্ষার্থীদের বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে, কিন্তু মারধরের কারণে তাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে রাজশাহী
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত তদন্ত করে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানাযায় , গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল
আহমেদ রুনু রাত ১২টার দিকে হলের ১৪৩ নম্বর কক্ষে সাহেব রানাকে শিবিরকর্মী সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং অন্য দুই শিক্ষার্থী শিবিরের সঙ্গে যুক্ত আছেন এমনটি স্বীকার করলে তাদের কে বেদম মারধর করে।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মাহবুব হোসেন বলেন, ছাত্রলীগ অভিযান চালানোর সময় আমরা হলে উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু হল প্রশাসনের অনুমতি না থাকায় আমরা অভিযানে অংশ নেইনি। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ১২ জন শিবিরের নেতাকর্মীকে আটক করে আমাদের কাছে সোপর্দ করেছেন। অধিকাংশই শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। মারধরের কারণে তাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত তদন্ত করে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু রাত ১২টার দিকে হলের ১৪৩ নম্বর কক্ষে সাহেব রানাকে শিবিরকর্মী সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। এসময় তাদের বেধড়ক মারধর করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে ভোর ৪টার দিকে মতিহার থানা পুলিশের কাছে শিবির কর্মীদের হস্তান্তর করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা সোহরাওয়ার্দী হলের সাহেব রানা ও নাবিউলকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। জিজ্ঞাসাবাদে তারা শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরে তাদের দেওয়া তথ্যে ভিত্তিতে হলের বেশ কয়েকটি কক্ষে অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে শিবির কর্মী হিসেবে এবং একজনকে সন্দেহজনকভাবে পুলিশে সোপর্দ করি।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.