শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে পুঁজি করে বিএনপি যে লাশের রাজনীতি করতে চেয়েছিল : ড. হাছান

0

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের অরাজনৈতিক আন্দোলনকে পুঁজি করে বিএনপি-জামায়াত লাশের যে রাজনীতি করতে চেয়েছিল তা ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যে দুবৃত্তরা আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে তারা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের গাড়ি ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

আওয়ামী লীগের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ আজ দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে বিএনপি-জামায়াত ১/১১ কুশীলবদের দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারার প্রতিবাদে আয়োজিত এক মানববন্ধন ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

হাছান বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা কোন গাড়ি ভাংচুর করেনি, তারা কোন নাশকতার সঙ্গেও জড়িত নয়। ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়েসী যুবক ও যুবতীরা শিক্ষাথীদের পোশাক পরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্র করেছিল।

বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. হাছান মাহমুদ বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়কের দাবিতে নয় দফার আন্দোলনে বিএনপি-জামায়াত তাদের ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীদের অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে দেশে একটি অস্বাভাবিক পরিবেশ তৈরি করে ফায়দা হাসিলের ষড়যন্ত্র করেছিল। তিনি বলেন, ওয়ান ইলেভেনের কুশিলবরা দেশে বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য উস্কানী দিয়েছেন। নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপি নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ফজলুল হক মিলনের ফোনালাপ ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর থলের বিড়াল বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে।

হাছান বলেন, সরকার নাশকতার সঙ্গে জড়িত এবং উস্কানীদাতাদের চিহ্নিত করেছে। কয়েক জনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতারও করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অরাজনৈতিক আন্দোলনকে পুঁজি করে কারা কিভাবে ষড়যন্ত্র করেছিল তা অচীরেই উম্মোচিত হবে।

সংগঠনের উপদেষ্টা জাকির আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট বলরাম পোদ্দার, স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি মো. জিন্নাত আলী ও সাধারণ সম্পাদক শাহদাত হোসেন টয়েল।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.