অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জড়িত নেতা-কর্মীদের বহিস্কারের হুশিয়ারি – জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক

0

বান্দরবান প্রতিনিধিঃ দলের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানে নির্দেশ রয়েছে, বিএনপি দলের নাম ভাঙ্গিয়ে কোউ যদি চাদাঁবাজি, দখল, হয়রানীসহ নানা অপরাধমূলক কার্যকলাপের সাথে জড়িত থাকলে নেতাকর্মীদের দল থেকে সরাসরি বহিস্কার করা হবে। এবং অন্যদল থেকে এসে সুযোগ বুঝে দলে ঢুকে ফায়দা লুটবে, সেই সুযোগ দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করেন বান্দরবান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রেজা। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সাড়ে ১২ টায় হোটেল গ্র্যান্ডভ্যালী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি এই হুশিয়ারি দেন তিনি। গেল কয়েকদিন আগে “ভয়েস চট্টগ্রাম” অনলাইন পোর্টেলে বান্দরবানে ইসলামিক শিক্ষা কেন্দ্রে ভুসম্পত্তি দখলে নিতে একাকার আ.লীগ ও বিএনপি নেতারা সংবাদ প্রকাশ করে। ওই নিউজের বান্দরবান জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদকসহ দলের নেতাকর্মীদের নাম উল্লেখ করা হয়। এই নিয়ে ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের বিষয়ে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রেজা।

অভিযুক্ত ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র দখলে বিষয়ে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই কেন্দ্রে সমস্যা থাকলে কোন কারণে নতুন কমিটি গঠন ও পরিবর্তন হতে পারে। তাছাড়া আমি ওই ইসলামী কেন্দ্রে কোন সদস্যও না, সেখানে কোনদিন নামাজ আদায় করতেও যায়নি। বরঞ্চ মেয়র থাকাকালীণ সময়ে ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রে জন্য সহযোগিতা করেছি। একপক্ষ আমার ইমেজ ও দলে নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। আমার মতে, এসব কোনদিন দখল হতে পারে না। কারণ সেটি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। জেলা বিএনপির রাজনীতি প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, বিশেষ করে বান্দরবানে জেলা বিএনপি সিনিয়র দুই নেতাসহ অনেকেই বয়স্ক বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। তখন স্বাভাবিকভাবে তরুণ নেতৃত্বে যখন সামনে আসছে, এই মুহূর্তে বিগত দিনে তুলনায় জেলা বিএনপির উদ্যোগে’র বড় বড় মিছিল হচ্ছে। যেহেতু আগের চেয়ে বর্তমানে বান্দরবান জেলা বিএনপির জনপ্রিয় ও সুসংগঠিত। তাছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় মামলা, মোকদ্দমা ও আটক হয়েছি। তবুও দলের নেতাকর্মীরা হাল ছেড়ে দেননি। নেতাকর্মীদের যে অর্জন, ত্যাগ ও কর্মীরা দলের প্রতি যে অগাধ ভালোবাসা বিশ্বাস সেটি আছে বলে বিএনপি দল এখনো রাজনৈতিক হাল ধরে আছে। কিন্তু কিছু কু-চক্র মহল দলটি নামে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার রাজনীতি ক্যারিয়া প্রসঙ্গে বলেন, সংগঠন হচ্ছে কারো কাছে নেশা, কারো কাছে আবার পেশা হতে পারে। তাই আমার কাছে রাজনীতি হলো একধরনে নেশা। বিগত দিনের ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও জেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ছিলাম। তারপর দীর্ঘ আট বছর ধরে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে আছি। এবং বান্দরবানে পৌরসভা মেয়র দায়িত্ব পালনও করেছি। পৌরসভা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতি ও অনিয়ম অভিযোগ নেই বলে যোগ করেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি লুসাইমং মারমা, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন তুষার, পৌর বিএনপি আহবায়ক নুরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব চনুমং মারমা, মহিলা নেত্রী উম্যাসিং মারমা, জেলা বিএনপির নেতা রিটল বিশ্বাসসহ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.