ইফতার গ্রহণে সতর্কতা

0

রোজার দিনে পরম আনন্দ ও তৃপ্তিকর বিষয় হল পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে ইফতার গ্রহণ করা।
সারাদিন রোজা রেখে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যায়। তাই ইফতারে এমন কিছু খাওয়া বা পান করা উচিত হবে না যাতে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো সতেজ হওয়ার পরিবর্তে দুর্বল হয়ে পড়ে।

  • ভাজাপোড়া বা ঝলসানো কোনো খাবারই কারও জন্যই স্বাস্থ্যকর নয়। অনেকেই বলে থাকেন সারাদিন রোজা রেখে পেঁয়াজু, ডালবড়া, আলুর চাপ, কাবাব, গ্রিল করা মুরগি না খেলে ভালো লাগে না।
  • সারাদিন উপবাস থেকে এই খাবারগুলো খেলে পেটে গ্যাস হয়, পেট ফুলে ওঠে, টক ঢেঁকুর উঠে, মাথা গরম হয়, বুকে ব্যথা হয়। অতএব বুঝতেই পারছেন, এ খাবারগুলো খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো।
  • সাদা পানি, খেজুর বা খোরমা দিয়ে ইফতার শুরু করতে পারেন। ইফতারে ভেজানো নরম চিঁড়া ও কলা, চিঁড়া ও টকদই বা মিষ্টি দই, শসা, ক্ষীরা, তরমুজ, বাঙ্গি ইত্যাদি দিয়ে ইফতার শুরু করা যায়।
  • লেবুর শরবতে ইসবগুলের ভুষি দিয়ে খাওয়া যায়। মুড়িতে অল্প তেলে ভাজা সেদ্ধ ছোলা খাওয়া যায়। ডায়াবেটিস না থাকলে গুড় বা চিনির ফিরনি বা ক্ষীর খাওয়া যায়।
  • ইফতারের পর নামাজ শেষে শুয়ে পড়া ঠিক নয়। অন্তত ১৫ মিনিট হাঁটাচলা করা উচিত।
  • রাতের খাবারে শাকসবজি, মাছ ও ডাল খাওয়া ভালো, যাদের পেটে আলসার বা ঘা আছে তাদের ইফতারে অবশ্যই এক কাপ টকদই খাওয়া উচিত।

হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক
মর্ডান হারবাল গ্রুপ।
মোবাইল : ০১৯১১৩৮৬৬১৭।

সূত্র: যুগান্তর।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.