ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার ৯৬ কিলোমিটার অংশে এখনও যানজট রয়েছে। আজ শনিবারও কুমিল্লার মেঘনাসেতু, গজারিয়া ও সোনারগাঁও এলাকায় যানজট অব্যাহত রয়েছে। থেমে থেমে চলছে যানবাহন। ১৫ কিমি রাস্তা পার হতেই ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সময় লাগছে। এদিকে যানজটে আটকে থাকা যানবাহনের যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মেঘনাসেতুতে টোল আদায়ে ধীরগতিই এ কৃত্রিম যানজট সৃষ্টির জন্য দায়ী।
চালক ও যাত্রীরা বলছেন, যদি টোল আদায়কারীরা কৃত্রিম যানজটের সৃষ্টি না করেন তাহলে কুমিল্লার অংশ যানজটমুক্ত থাকবে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদও বলেন, মহাসড়কের কুমিল্লার অংশে যানজট নেই। যান চলাচল স্বাভাবিক। তবে মেঘনাসেতু-গজারিয়ায় যানজট হ্রাস না পেলে কুমিল্লার অংশে যানজট শুরু হতে পারে।
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার গোমতি সেতুতে ট্রাক বিকল হওয়ার পর থেকে যানজট শুরু হয়।
মালবাহী যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় টোল আদায়ে ধীরগতি ও অতিরিক্ত অর্থ আদায় নিয়ে টোল আদায়কারীদের সঙ্গে চালক-হেলপারদের কথা কাটাকাটির জেরে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কুমিল্লা অংশের ৫ থেকে ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত যানজট ছিল। মেঘনাসেতুর টোল প্লাজায় টোল আদায়ের ধীরগতি ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার অব্যাহত যানজটের প্রভাবে কুমিল্লার পুরো অংশে যানজট ছড়িয়ে পড়ে।
তবে গতকাল রাত থেকে কুমিল্লার অংশ সম্পূর্ণভাবে যানজটমুক্ত হয়ে যায়। কিন্তু আজ শনিবার সকাল ৯টার পর টোলপ্লাজায় মালবাহী যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। এ সময় টোল আদায়কারীরা টোল আদায় করেন ধীরগতিতে। এর ফলে কুমিল্লার ৯৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ফের যানজটের সৃষ্টি হয়।