ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ফেলানী হত্যার পরবর্তী শুনানি ২৫ অক্টোবর

0

আরিফুল ইসলাম সুজন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ৯ নং আদালতে ফেলানী হত্যা বিষয়ে ফেলানীর বাবার করা রিট মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৫ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে।। শুক্রবার ৯ নং আদালতের বিচারক বিচারপতি রামায়ণ ও বিচারপতি অমিতাভ রায়ের যৌথ বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন। মামলাটি তালিকার ২৪ নম্বরে আছে।
ফেলানীর মামলায় ফেলানীর বাবাকে সহায়তাকারী কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বাবার সাথে দালালদের মাধ্যমে সীমান্ত পাড় হতে গিয়ে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলি প্রাণ হারান বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানী। দেশ ও বিদেশে তীব্র সমালোচনার মুখে একে একে দুবার বিএসএফ তার নিজস্ব আদালতে বিচারের মুখোমুখি করে অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে। কিন্তু দু’বারই খালাস পেয়ে যান অমিয় ঘোষ। ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মে র সহায়তায় ফেলানী হত্যার বিচার ও ক্ষতিপুরণ চেয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম নুরু। সুপ্রিম কোর্ট ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই আবেদনটি গ্রহন করে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়সহ কয়েকটি সংস্থাকে কারণে দর্শানোর নির্দেশ দেয়। রিট মামলার নম্বর-২৪১ নম্বর-২০১৫।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি অনন্তপুর সীমান্তে ফেলানী খাতুনকে বাংলাদেশ ভারত সীমান্তের আর্ন্তজাতিক সীমানা পিলার নং ৯৪৭ এর কাছে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয়। এ ঘটনার পর বিএসএফ তার আদালতে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে অভিযুক্ত করে একটি অভিযোগ গঠন করে। ২ বৎসর ৮মাস পর ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে নির্দোষ রায় দেন বিএসএফ এর আদালত। সেই রায় যর্থার্থ মনে করেনি বিএসএফ মহাপরিচালক। তিনি রায় পুর্নবিবেচনার আদেশ দিয়েছিলেন। এরপর ২ জুলাই ২০১৫ বিএসএফ কোর্ট অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে আবারও নির্দোষ বলে পুনরায় রায় দেন।
এ ব্যাপারে ভারতীয় মানবাধিকার সংস্থা মাসুম’কে উচ্চ আদালতে মামলাসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করার অনুরোধ করেন ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম নুরু। ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা ম (মাসুম) ভারতের সুপ্রীম কোর্টে ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই একটি রীট মামলা দায়ের করে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.