লিবিয়ায় যুদ্ধবিরতিতে জিএনএ’র স্বাক্ষর, সময় চেয়েছে এলএনএ

1

অবশেষে লিবিয়ায় ৯ মাসের গৃহযুদ্ধের অবসান হওয়ার আশা করা হচ্ছে। রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় অবশ্যই মানতে হবে এমন একটি যুদ্ধবিরতিতে স্বাক্ষর করেছে ত্রিপোলিতে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল অ্যাকর্ড (জিএনএ)। তবে এই সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত কমান্ডার খলিফা হাফতারের অনুগত বাহিনী লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ) চুক্তিতে স্বাক্ষর করার আগে আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল পর্যন্ত সময় চেয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন লিবিয়ান এক্সপ্রেস।
এতে বলা হয়, রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে যুদ্ধবিরতি নিয়ে জিএনএন এবং এলএনএ’র মধ্যে টানা প্রায় আট ঘন্টা আলোচনা হয়। এরপর একটি যুদ্ধবিরতিতে স্বাক্ষর করতে উভয় পক্ষকে আহ্বান জানায় মধ্যস্থতাকারী রাশিয়া ও তুরস্ক। বলা হয়, এই যুদ্ধবিরতিতে স্বাক্ষর করলে উত্তর আফ্রিকার এই দেশটিতে স্থিতিশীলতা ফিরবে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি ও পশ্চিমাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার জিএনএ।

এই সরকারের নেতৃত্বে রয়েছেন ফায়েজ আল সেরাজ। তিনি ওই যুদ্ধবিরতিতে স্বাক্ষর করেছেন। তবে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু বলেছেন, এলএনএ’র নিয়ন্ত্রণে রয়েছে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল। এই বাহিনীর কমান্ডার খলিফা হাফতার। তারা রাজধানী ত্রিপোলিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য জোর আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে সম্প্রতি। এই বাহিনী ওই যুদ্ধবিরতিতে স্বাক্ষরের আগে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত সময় চেয়েছে।

সোমবার বিংশ শতাব্দীর মস্কো ম্যানসনে ওই শান্তি আলোচনা হয়। সেখানে সের্গেই ল্যাভরভ সাংবাদিকদের বলেছেন, আমরা বলতে পারি আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। তবে রাশিয়ার বার্তা সংস্থা তাস বলছে, ফায়েজ আল সেরাজের সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানান খলিফা হাফতার। ফলে রাশিয়া ও তুরস্কের কূটনীতিকরা এক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।