সরকারি নির্দেশ অমান্য করে জমায়েতের মাধ্যমে করোনা ছড়ানোর অভিযোগে তাবলীগ জামাতের শীর্ষ নেতা মাওলানা সাদ কান্দলভি ও নিজামুদ্দিন মারকাজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য হন্যে হয়ে খুঁজছিল পুলিশ। অবশেষে বিতর্কিত ধর্মগুরু মাওলানা সাদের খোঁজ পেয়েছে দিল্লি পুলিশ। দিল্লির জাকির নগর এলাকায় তার হদিস মিলেছে। তাকে জেরা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। তবে কোয়ারেন্টিনে থাকায় এই মুহূর্তে তাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হলেই জেরা করা হবে।
এর আগে দিল্লি পুলিশ তাকে দুবার নোটিস পাঠিয়ে তলব করে। কিন্তু দেখা করেননি সাদ। আর করোনা আতঙ্কে তার কাছেও যেতে পারেনি পুলিশ কর্মকর্তারা। কারণ এর আগে, নিজামুদ্দিন মারকাজে তদন্তের কাজে যাওয়া ১২ জনেরও বেশি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও পুলিশকর্মীকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাওলানা সাদকে জেরার পরই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে কি-না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে তাকে নোটিস পাঠিয়ে মোট ২৬টি প্রশ্নের উত্তর চেয়েছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু সেইসময় সেলফ কোয়ারেন্টিনে থাকার কারণে বেশিরভাগ প্রশ্নেরই উত্তর দেননি সাদ।
জাকির নগরের বাড়িতেই মাওলানা সাদ কান্দলভি রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তিনি করোনায় আক্রান্ত কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।
তাবলিগ জামাত প্রধানের এক আত্মীয় এর আগে পুলিশকে জানিয়েছিলেন যে, তিনি সেলফ-কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।
মাওলানা সাদের করোনা পরীক্ষা করানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভিডি্ও কলের মাধ্যমে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
মাওলানা সাদকে বাড়িতেই কোয়ারেন্টিন করা হবে, নাকি তাঁকে কোয়ারেন্টিন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রসঙ্গত, তাবলিগ জামাতের প্রধানসহ ছয় সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশিকা উপেক্ষা করে ধর্মীয় সমাবেশ করানোর জন্য অভিযোগ দায়ের হয়েছে।বাকি ছয় সদস্যের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।