বিজয় কুমার, গাইবান্ধা থেকেঃ অবশেষে সিনথিয়া (৭)কে ধর্ষন পরবর্তি হত্যার কথা স্বীকার করলো মাজেদুল হক কাল্টু। গত ১৬ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করায় এ তথ্য জানা যায়।
আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট রমেশ কুমার দাগার কাছে কাল্টু ওই স্বাকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
কাল্টু আদালতকে জানায়, সিনথিয়া দোকান থেকে পরোয়াটা কিনে নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সে তাকে জোর করে পার্শ্ববর্তী তার বাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। সেদিন বাড়িতে কেউ ছিল না। তার স্ত্রী এবং মেয়ে নানার বাড়ি যাওয়ায় বাড়ি ফাঁকা ছিল। সিনথিয়াকে ধর্ষণের সময় সে চিৎকার করায় কাল্টু তাকে হত্যা করে এবং পরে তার বাড়ির পাশের জলাশয়ে কচুরীপানার নিচে ডুবিয়ে রাখে।
আদালতে জবানবন্দি দেয়ার পর বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট রমেশ কুমার দাগা মামলার অভিযুক্ত আসামি কাল্টুসহ আহসান হাবীবকে জেলহাজতে পাঠাবার নির্দেশ দেন।
ফুলছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আবু হায়দার মো. আশরাফুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, কাল্টু বিবাহিত ও তার সিনথিয়ার মত একটি মেয়ে রয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর বনিবনা না হওয়ায় মেয়েসহ তার স্ত্রী এক মাস আগে বাপের বাড়িতে চলে যায়। এ ঘটনা ছাড়াও কাল্টু এর আগে একটি মেয়ের শ্লীলতাহানি ঘটানোর অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালত তার ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদান করে।
উল্লেখ্য সিনথিয়া গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের বাউশি গ্রামের দিনমজুর সেলিম মিয়ার একমাত্র কন্যা সন্তান ও ফুলছড়ি মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেনীর ছাত্রী।