আমার চোখে দেখা একজন সেরা ডিজিটাল জেলা প্রশাসক

0

এম আরমান খান জয় : দুয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া সাধারনত: জাতীর মেধাবী সন্তানেরাই ক্যাডার সার্ভিসের অধীনে কর্মকর্তা হন । এই মেধাবী মানুষগুলোর হাতে থাকে অনেক ক্ষমতা । জাতীর জন্য অনেক কিছু করার সুযোগ । কিন্তু ক‘জন কর্মকর্তা জাতীর কল্যাণে এ ক্ষমতা ব্যবহার করেন ?

তবে সময়ে সময়ে আমাদের সমাজে এমন কিছু মানুষ উদ্ভাসিত হন যার কর্মে,মেধায় এবং মানসিকতায় সমাজকে এমনভাবে আলোকিত করেন, যা মানুষ চিরদিন শ্রদ্ধাভাবে স্বরণ করে। সমাজকে আলোকিত করতে গিয়ে তারা নিজেরা ও হয়ে ওঠেন আলোকিত মানুষ। তেমনি একজন অভিবাবক, গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক সরকার মোখলেসুর রহমান।

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জেলা, গোপালগঞ্জ। যে জেলায় জন্মেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের মহা নায়ক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । এই জেলার টুঙ্গিপাড়ার মাটিতইে শায়িত আছেন এই জাতির প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ। শুধু তাই নয় বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনাও এই জেলায় জন্মগ্রহন করেন এবং তিনি এ জেলার থেকেই নির্বাচিত এমপি ।

সেই গোপালগঞ্জ জেলার সফল ও সুযোগ্য জেলা প্রশাসক সরকার মোখলেসুর রহমান । তিনি শুধুমাত্র একজন প্রশাসকই নন, মানবতার জন্য দরদী বন্ধু । ডিজিটাল গোপালগঞ্জ গড়ার পথিকৃৎ হিসাবে ইতিমধ্যে তিনি যুব ও তরুণ সমাজের কাছে একজন জনপ্রিয় ও অনুকরনীয় ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছেন । সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের দ্বারা তিনি প্রতিনিয়ত জেলাবাসীর বড় বড় সমস্যার সমাধান দিয়ে আসছেন । একজন সাধারন মানুষকে ফেসবুকের মাধ্যমে করে নিয়েছেন বন্ধু। তিনি এমন একজন জেলা প্রশাসক যার কাছে সব শ্রেনীর মানুষ আসতে পারেন খুব সহজে । তিনি গোপালগঞ্জের বিভিন্ন অঙ্গনের মানোন্নয়নে যে অতুলনীয় অবদান রেখে চলেছেন তা ভুলা যাবেনা। তার অবস্থানে গোপালগঞ্জের সামগ্রিক কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে চলছে। তিনি তার কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জবাসির মনে স্থান করে নিয়েছেন। কথাগুলো গোপালগঞ্জবাসীর সকল শ্রেণী পেশার মানুষের মুখে মুখে । গোপালগঞ্জবাসী তাকে আজীবন স্মরণ রাখবেন ।

গোপালগঞ্জবাসীর প্রতিটি মানুষকে তিনি স্ব স্ব সম্মানে সম্মানিত করে চলেছেন । তিনি একজন ক্রীড়া ও সংগীতপ্রেমি ব্যক্তি, প্রায় অনুষ্ঠানে তিনি নিজ কন্ঠে গান গেয়ে শ্রোতাদের বিমোহিত করে থাকেন, আমি নিজে ও তার গানের একজন পাগল। জেলা প্রশাসক সরকার মোখলেছুর রহমান বিগত দিনে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমে গোপালগঞ্জবাসীর কাছে অত্যন্ত সাফল্য মন্ডিত। বাঙ্গালী জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতা। হাজার বছরের সুদীর্ঘ সংগ্রামের ফসল আমাদের এই স্বাধীন বাংলাদেশ। দীর্ঘকালের আন্দোলন-সংগ্রাম, মুক্তিপাগল জনতার তাজা রক্তের বিনিময়ে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য নেতৃত্বে গড়ে ওঠে স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমি গোপালগঞ্জ।

গোপালগঞ্জবাসী গরিব দুঃখি খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের পাশে তাকে সবসময় দেখতে পাওয়া যায়। সুযোগ পেলেই তিনি জেলার প্রতিটি উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের নারী-পুরুষ ও শিশুদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। একজন জেলা প্রশাসক হয়েও তিনি যেভাবে গোপালগঞ্জের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে রয়েছেন এজন্য গোপালগঞ্জবাসী তার কাছে চিরকৃতজ্ঞ।

গোপালগঞ্জের সুযোগ্য ও সফল জেলা প্রশাসক বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ডিজিটাল বাংলাদেশ। তারই সফল বাস্তবায়নে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন । তিনি ফেসবুক সহ বিভিন্ন মাধ্যমে গোপালগঞ্জবাসী প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, আপনার শিশুকে স্কুলে পাঠিয়ে শিক্ষিত করুন, সকল উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে সরকারকে সহযোগিতা করুন, সরকারের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণে সহযোগিতা করুন, মাদকমুক্ত থাকুন, সরকারি ভূমি অবৈধ দখল থেকে বিরত থাকুন, সরকারি রাস্তার পাশে কোন অবৈধ অবকাঠামো নির্মাণ করবেন না, খাজনা পরিশোধ করে জেলার উন্নয়নে সহায়তা করুন, এ জেলায় ভ্রমণে আমাদের আতিথেয়তা গ্রহণ করুণ। জেলার উন্নয়ন ও সার্বিক কর্মকান্ডে দল মত নির্বিশেষে আমাদেরকে সহায়তা করুণ।

পরিশেষে, বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন; ক্ষুধা-দারিদ্র, নিরক্ষরতা ও সন্ত্রাসমুক্ত, শোষণহীন সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়দীপ্ত দৃঢ় অঙ্গিকারে সকল কর্মকর্তাও কর্মচারীবৃন্দ এবং সম্মানিত গোপালগঞ্জে বাসীর দু:সময়ের দরদী বন্ধু জেলা প্রশাসক সরকার মোখলেসুর রহমান কে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

এখানে উল্লেখ করতেই হয় জেলা প্রশাসক সরকার মোখলেসুর রহমান সুদক্ষ দিকনির্দেশনায় গোপালগঞ্জ জেলার ইউনিয়নগুলিতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পাদনা গোপালগঞ্জবাসীর কাছে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে ।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.