হযরত বেল্লাল, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বন্যার পানি কমলেও বেড়েছে দুর্ভোগ। নানাবিধ সমস্যায় পড়েছেন বানভাসিরা। অনেক এলাকায় দেখা দিয়েছে রোগব্যাধি, চিকিৎসা সেবা ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। বিশেষ করে বন্যা কবলিত এলাকার রাস্তা-ঘাট ভেঙ্গে, ধসে, খুঁয়ে যাওয়া, অসংখ্য খানা-খন্দে এবং গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় জন দুর্ভোগ বেড়ে গেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।
বৃষ্টি বাদল না থাকায় এবং উজান থেকে ঢল আসা বন্ধ হওয়ায় বন্যার পানি অনেকটা কমে গেছে।
এবারের ঈদ বানভাসিদের জন্য নিরানন্দ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবহাওয়া এ অবস্থায় থাকলে অনেক বানভাসি পরিবার কষ্ট করে হলেও বাড়িতে ঈদ করতে পারবেন বলে আশা করছেন তারা। বিভিন্ন চরাঞ্চল ঘুরে ফিরে দেখা গেছে পানি কমলেও অনেকের বাড়িতে এখনও জমে রয়েছে কাঁদা ও গিটা পানি। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
বন্যা কবলিত এলাকার বাস্তা ঘাটের বেহাল দশা কবে নাগাত ভাল হবে তা নিয়ে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পরেছেন এলাকাবাসি। বন্যায় সুন্দরগঞ্জ-পঞ্চনন্দ সড়কের রামডাকুয়া ব্রিজের দুইপাশ ভেঙ্গে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূন্ন রুপে বন্ধ হয়ে গেছে। যার কারনে তারাপুর, বেলকা, হরিপুর ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষজন নৌকা যোগে চলাফেরা করছে।
এ কারণে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা যথাসময়ে প্রতিষ্টানে যেতে পারছে না। অপর দিকে বামনডাঙ্গায় ঘাঘট নদীর পানির ¯্রােতে বামনডাঙ্গা-গাইবান্ধা পাকা সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ায় এখনও যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়নি । বন্যায় কেন প্রকার কাজ কর্ম না থাকায় চরাঞ্চলের বানভাসিরা অনেকে মাথায় হাত দিয়ে বসেছে। তার উপর এনজিও এর কিস্তি বানভাসিদের খাওয়া নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।
কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান তার ইউনিয়নে কোন প্রকার ফসল নেই। সবকিছু বানের পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে । সে জন্যা বানভাসিরা এখন ত্রাণের উপর নির্ভর করছে।
ইউএনও এসএম গোলাম কিবরিয়া জানান ,সরকার পক্ষ থেকে যা বরাদ্দ পাওয়া হবে তা সুষ্ঠুভাবে বিতরনের ব্যবস্থা করা হবে।