দক্ষিণ কোরিয়ার করোনা ভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩৩ জনে। দেশটির উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী কিম গ্যাং-লিপ বলেছেন, পরিস্থিতি মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে। অন্যদিকে ইরানে পাঁচজন মারা গেছেন। ইউরোপের দেশ ফ্রান্সের পর ইতালিতে করোনায় মৃত্যুর পর পরিস্থিতি নতুন করে মোড় নিয়েছে। সারা বিশ্বে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। খবর বিবিসি।
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কোরিয়ায় ইতোমধ্যে দুজন মারাও গেছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের কিছু দেশে নতুন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে, যাদের সঙ্গে চীনের কোনো সংযোগ নেই। বিশ্বে মহামারী ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে জীবাণুর এ ধরনের বৈশিষ্ট্য বিপজ্জনক বলে মনে করা হয়।
এদিকে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গতকাল শনিবার জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে। ইরানে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ জন। এ ছাড়া ইসরায়েল ও লেবাননেও প্রথম করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে দেশ দুটির কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে ইতালির কর্তৃপক্ষ দুজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। বিশ্বে এ ভাইরাসের সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৬০ জনে, যাদের মধ্যে ১৫ জন ছাড়া বাকি সবার মৃত্যু ঘটেছে চীনে।
চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দেশটির মূল ভূখণ্ডে ৩৯৭ জনের শরীরে নতুন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ৮৮৯ জন। চীনে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৬ হাজার ২৮৮ জনে। আর ২৯টি দেশ ও তিনটি অঞ্চল মিলিয়ে এ পর্যন্ত অন্তত ৭৭ হাজার ৭৬৭ জন নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।