এম আরমান খান জয়, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে ধর্ষণচেষ্টা মামলা তুলে নিতে প্রবাসীর স্ত্রীকে চাপ দিচ্ছে আসামিপক্ষ। মামলা তুলে না নিলে তাকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। মামলা তুলে না নেওয়ায় তাদের চলাচলের সব পথে বেড়া দিয়ে পরিবারটিকে চার দিন অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
পরে ইউপি চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে বেড়া অপসারণ করে আসামিপক্ষ। অত্যাচার, নির্যাতন ও চলাচলের পথে বেড়া দেওয়ার ঘটনার প্রতিকার চেয়ে প্রবাসীর স্ত্রী মুকসুদপুর থানায় একটি লিখিত আবেদন করেছেন। মুকসুদপুর উপজেলার মোচনা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মুকসুদপুর উপজেলার যাত্রাবাড়ী গ্রামের প্রবাসীর স্ত্রী ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত ৭ জুলাই ডুমুরিয়া গ্রামের বাবার বাড়িতে আসেন। ওই দিন রাতে চার্জার লাইট নিয়ে বাবার ঘর থেকে বের হয়ে তিনি টিউবওয়েলে পানি আনতে যান। প্রতিবেশী আমজাদ শেখের ছেলে ফারুক শেখ (৩৫) নেতৃত্বে তিনজন হাত ও মুখ চেপে ধরে। একজন ধারালো ছোড়া ধরে খুন করার হুমকি দিয়ে পার্শ্ববর্তী কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। প্রবাসীর স্ত্রীর মা লাইট ও অন্যদের নিয়ে কলাবাগানের দিকে যান। ধর্ষণকারীরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
অভিযুক্ত ফারুক শেখ চাপ ও হুমকির কথা অস্বীকার করে বলে, ৭ জুলাই ধর্ষণচেষ্টার কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রবাসীর স্ত্রী স্বামীর বাড়িতে না থেকে বাবার বাড়িতে বর্তমানে থাকছেন। হয়রানি করতেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছেন। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের চলাচলের পথে বেড়া দেওয়া হয়েছিল।
মুকসুদপুর থানার ওসি আজিজুর রহমান বলেন, প্রাসীর স্ত্রীর একটি আবেদন পেয়েছি। এ ঘটনার তদন্তে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।