চট্টগ্রামে ১৩ দিনে আটক ৪১৬

0

চট্টগ্রামে রেল পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ১৩ দিনে ৪১৬ আটক করা হয়েছে। রেল লাইনের উপর অযথা হাটাহাটি মোবাইল ফোনে কথা বলা এবং রেললাইনের উপর বসে আড্ডা দেয়ার কারণে ট্রেনে কাটাপড়া দুর্ঘটনা এড়াতে এ অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে থানা।

অভিযানের আগে গত ৬ মাস ধরে চলে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা, মাইকিং ও লিফলেট বিতরণসহ নানা রকম কর্মসূচি পালন করেছে চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশ।

এ প্রচার অভিযানের পর ট্রেনের কাটাপড়া মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটা কমে এসেছে। তার মতে গত এক বছরে চট্টগ্রাম জিআরপি থানার অধিনে ৫০ জনের মত লোক ট্রেনে কাটা পড়ে বা ধাক্কা খেয়ে মারা গেছেন। যা আগের বছরের তুলনায় কম।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার অফিসার ইনর্চাজ এসএম শহিদুল ইসলাম জানান, পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশনা অনুযায়ী এই সচেতনমূলক কর্মসূচি পালন করা হয়। গত জুলাই মাসে কর্মসুচির শেষ হয়। পরে গত ৮ আগষ্ট থেকে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে রেলওয়ে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে গত ৮ আগষ্ট থেকে ২১ আগষ্ট পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সর্বমোট ৪১৬ জনকে আটক করেছে রেলওয়ে পুলিশ।

২৪ আগষ্ট গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে রেলওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।

রেলওয়ে থানার ওসি এসএম শহিদুল ইসলাম আরো বলেন, রেল লাইনের ২০ ফুট এলাকায় সবসময় ১৪৪ ধারা জারী থাকে। রেললাইনের উপর বসা, দোকার বসানো, খেলাধুলা করা কিংবা রেললাইন দিয়ে চলাচল, টিনএজারদের মোবাইল ব্যবহার করে রেল লাইনদিয়ে চলাচলের কারনে প্রতিনিয়ত প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। আমরা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করার চেষ্টা করেছি। এখন যদি কেউ এই আদেশ অমান্য করে রেল লাইনে চলাফেরা করা, ও টিকিট ছাড়া ষ্টেশন এলাকায় ঘুরাফেরা করে আমরা তাদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করছি।

তিনি আরো বলেন, গত ৮ আগষ্ট থেকে ২১ আগষ্ট পর্যন্ত চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সর্বমোট ৪১৬ জনকে আইন অমান্য করার অপরাধে আটক করেছি। তাদের মধ্যে টিকিট বিহীন ট্রেনের ছাদে ভ্রমনের জন্য আটক ৬৪ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ষ্টেশন এলাকায় বিনা টিকিটে প্রবেশ করার কারনে ২৮৫ জনকে আটক করে টিটির মাধ্যমে রেলওয়ে আইনে জরিমানা (ইএফটি) করেছি।

রেললাইনে চলাচল, বসা ও খেলাধুলা করার কারনে আটক ৬৭ জনকে মোছলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.