দুই মহাসড়কে তীব্র যানজট

0

ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজটে ভোগান্তি বেড়েছে মানুষের। আজ রোববার ভোর পাঁচটা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা-গোমতী সেতু এলাকা থেকে দাউদকান্দি বিশ্বরোড পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার এলাকায় যানজট চলছে। আর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গতকাল শনিবার রাতে যানজট হয়। আজ সকালেও কিছু অংশে যানজট রয়েছে।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার পুলিশের সার্জেন্ট আলমগীর হোসেন বলেন, ‘রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টির কারণে ভারী যানবাহন সড়কের বিভিন্ন স্থানে আটকা ছিল। সে কারণেই সকালে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোলপ্লাজায় এসে জট সৃষ্টি হয়। আশা করছি, আধা ঘণ্টার মধ্যে মহাসড়ক যানজটমুক্ত হবে।’

এদিকে গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি, খানা খন্দক আর ভাঙ্গাচোরা ব্রিজের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় যেতে দেড় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগছে ৫-৭ ঘণ্টা। এর ফলে যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। মহাসড়কের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার সড়ক খানা খন্দকে ভরা। 
 
অভিযোগ পাওয়া গেছে, চার লেনের কাজ করার জন্য মীর আক্তার হোসেন জেবি ও আব্দুল মোনায়েম কম্পানি ২০১৫ সালে কাজ শুরু করেন। এই গুরুত্বপূর্ণ কাজে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং প্রশাসনের নজরদারী না থাকায় এবং মহাসড়কের দুই পাশে ড্রাম ট্রাক দিয়ে মাটি ফেলার কারণেই এ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যানজট এখন নিত্য দিনের জন্য পরিণত হয়েছে। যানজট নিরসনের জন্য তাদের অধিকাংশ সময় রাস্তার মধ্যে থাকতে হচ্ছে।  
মির্জাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বলেন, যানজটের মূল কারণ এ মহাসড়কের চন্দ্রা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ভাঙ্গাচোরা রাস্তা ও অসংখ্য খানা খন্দক ও ভাঙ্গাচোরা ব্রিজ।

এ প্রসঙ্গে চারলেন কাজে নিয়োজিত মীর আকতার হোসেন জেবি লি. এবং আব্দুল মোনেম কোং লি. এর দায়িত্বশীল দুই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাংলাদেশ সরকার এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের মধ্যে চুক্তি হয়েছে এ মহাসড়ক চারলেন কাজ করে দেওয়ার জন্য। সে অনুযায়ী কাজ হচ্ছে। কিন্তু চারলেনের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভাঙ্গাচোরা রাস্তা মেরামত করবে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।  
এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী  প্রকৌশলী নাজমুল আলম বলেন, টানা বৃষ্টি থাকার কারণে ভাঙ্গাচোরা রাস্তা মেরামত করতে একটু বিলম্ব হয়েছিল। এখন আবহাওয়া ভাল হওয়ায় মেরামতের কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.