পাবনা প্রতিনিধি : দলের দুর্দিনের পরীক্ষিত নেতা অ্যাড. আরশেদ আলম প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন পাবনা-২ আসনে। বিএনপির প্রার্থী হিসেবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়তে চান তিনি। একারণে পেশাগত ব্যস্ততার ভেতরেও তিনি নির্বাচনী এলাকায় চষে বেড়াচ্ছেন এই সিনিয়র আইনজীবি। ]
ব্যক্তি জীবনে সদালাপী অ্যাড. আরশেদ আলমকে পাশে পেয়ে যেন নেতাকর্মীদের মাঝে প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সুখে দুঃখে জড়িয়ে ছিলেন কর্মীদের। সেই সব কর্মী তার সাথে ঘুরছে বিভিন্ন এলাকা। গ্রামের পর গ্রাম ছুটে বেড়াচ্ছেন অ্যাড. আরশেদ আলম।
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে কারা নির্যাতিত আরশেদ আলম বর্তমানে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম পাবনা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পেশা জীবনের মুরু থেকেই দলের নেতাকর্মীদের জন্য আইনী সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছেন। ছাত্র জীবন থেকেই শহীদ জিয়ার আদর্শে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে উদ্বুদ্ধ অ্যাড. আরশেদ আলম ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সহ সভাপতি। ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দি হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি। তার সময়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন তিনি। জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে নিবাচিত হয়েছিলেন বিপুল ভোটে। তিনি সুজানগর মহিলা উন্নয়ন সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশ সচেতন ছাত্র ফোরাম কেন্দ্রীয় সংসদের উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন।
এড. আরশেদ আলম আগামী নির্বাচনকে ঘিরে পাবনা-২ আসনের যেখানে যাচ্ছেন, সেখানেই ভীড় জমছে নেতাকর্মীদের। বিপদ আর সংকটের সাথীরা ছুটে আসছেন দলে দলে। তারা বলছেন, হাল ধরেন আমরা ছিলাম, এখনও আছি।
ইতিমধ্যেই কর্মী সমর্থকরা নিজ নিজ পরিসর থেকে মাঠে নেমে গেছেন এড. আরশেদ আলমের পক্ষে। তারা বলছেন, অ্যাড. আরশেদ আলমের রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি। এছাড়া দলের বিভিন্ন সংকটে তাকে নেতাকর্মীরা পেয়েছে একজন বিপদের সাথী হিসেবে। এজন্য তাকে ঘিরেই ভাবনা বাড়ছে, কর্মীদের প্রত্যাশা বাড়ছে তাকে এগিয়ে দিতে। অ্যাড. আরশেদ আলম যেন তাদের একান্ত কাছের মানুষ।
দলের নেতাকর্মীরা ভাবছেন, তাকে দল থেকে মনোনয়ন দিলে তার বিজয়ী হবার সম্ভাবনা আর যে কোন প্রার্থীর চেয়ে অনেক সহজ হবে। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, এলাকার নেতাকর্মীদের সাথে তার সম্পর্ক প্রতিদিনের।
এদিকে অ্যাড. আরশেদ আলম দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন, এটি জানার পর থেকে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক এমন অন্যরা পড়ে গেছেন ভাবনায়। কারন অ্যাড. আলমের রয়েছে ব্যাক্তি গ্রহণযোগ্যতা ও ক্লিন ইমেজ। পুরনো রাজনীতিবীদ হিসেবে ঢাকা কেন্দ্রীক একটা বলয়ও রয়েছে তার।
অপরদিকে অ্যাড. আরশেদ আলম এই প্রতিবেদককে জানান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাকে মনোনয়ন দেবেন বলে তিনি আশাবাদী। আর দল থেকে মনোনয়ন পেলে তিনি বিপুলভোটে নির্বাচিত হবেন বলে শতভাগ আশাবাদী তিনি।
তবে তিনি এও বলেন, দল থেকে তাকে না দিয়ে অন্য কাউকে দিলেও তার পক্ষে কাজ করে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে একনিষ্ট কর্মী হিসেবে কাজ করবেন। তার মূল লক্ষ্য পাবনা-২ আসন যেন হয় ধানের শীষের আসন। সকলের কাছে নিজের জন্য ও দলের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন তিনি।