বহিরাগতদের হুমকির মুখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের 'শাটল ট্রেন', কষ্টপাচ্ছে শিক্ষার্থীরা

0

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : প্রাচ্যের কেম্ব্রিজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সাথে শাটলের সিট দখল নিয়ে বহিরাগতদের সাথে বাগবিতণ্ডা হয়েছে।

 বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত শহর থেকে ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্য ছেড়ে আসা ৮:৩০ মিনেটের শাটল ট্রেনটি ষোলশহর স্টেশনে রাত ৮: ৫০ মিন. দিকে পৌঁছালে ষোলশহর স্টেশনে অবস্থানরত ছাত্রছাত্রীরা উঠতে থাকে। কিন্তু লাফালাফি তাড়াহুড়ো করে উঠলেও সিটে বসার জন্য কোন সুযোগ  মেলে না। ঠিক প্রত্যেকদিনের মতো আজকেও ট্রেনে উঠে দেখা মেলে বহিরাগতরা আসন নিয়ে বসে আছে। তখন কিছু শিক্ষার্থী বহিরাগতদের কে উঠে পড়তে বললে, তারা চড়াও হয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উপর,এবং ফতেয়াবাদ স্টেশনে আসার পর নেমে চলে যাওয়ার সময় বেশি কথা বললে পেকেট করে ফেলবে বলে হুমকি দিয়েছিল বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা। এদিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের কয়েকজন ন্যাশনাল নিউজ২৪ বিডি কে বলেন, প্রত্যেকদিন টিউশনি শেষে ট্রেনে করে আমাদের হলে যেতে হয় কিন্তু অর্ধেকের বেশি আসন বহিরাগতরা মালামাল, বউ পোলাপান নিয়ে শাটলে করে আসন পেতে বসে যেতে দেখি,

 তাই সিট না পেয়ে আমরা দাঁড়িয়ে যেতে থাকি।কিন্তু আজ যখন দৌড়ে এসে ট্রেন ধরলাম, তখন ট্রেনে উঠে ভীষণ কষ্ট হচ্ছিল,তখন বহিরাগতদের উঠতে বললে, একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রীতিলতা হলের তিন তরুণী বলেন, আমরা মেয়ে হয়েও সিট পাই না, দরজা জানলায় দাঁড়িয়ে যেতে হয়, আর আসনে বসা থাকে বহিরাগতরা,শাটলে আসন সম্পর্কে আরো বলেন,ট্রেনে যে আসন আছে সেগুলোই স্টুডেন্টদের জন্য হয় না,তাও আবার বহিরাগতরা। আর তারা যখন উঠে তখন আর কোনকিছু করার উপায় মেলে না। 
শাটলের এমন অবস্থা কিভাবে দূরকরা যায় এমন টা জানতে চাইলে, এতে শিক্ষার্থীদের চেয়ে বড় ভূমিকা প্রশাসনের বলে দাবি করেন চবি শিক্ষার্থীরা।

এদিকে শাটলে বহিরাগতদের এমন অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে, চবি প্রক্টর অধ্যাপক আলী আজগর চৌধুরী ন্যাশনাল নিউজ ২৪ কে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শীঘ্রই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন।

 

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.