রংপুরে সরকারের নিয়ম মানছে না প্রাইভেট কোচিং সেন্টার গুলোর পরিচালকরা

0

এম হামিদুর রহামান লিমন, রংপুর অফিস: করোনা আলোচিত এক ভাইরাসের নাম। যা বিশ্ব জুড়ে আতংকের রুপ নিয়েছে। এনসিওভি বা নভেল করোনা ভাইরাস। গত ৩১ ডিসেম্বর ভাইরাসটি চীনের উহান শহরে শনাক্ত হয়। এর পর ছড়ি পরে সারা বিশ্বে। করোনা পজেটিভ রোগী ৮ ই মার্চ প্রথম শানাক্ত হয় বাংলাদেশে। দিন দিন বৃদ্ধির কারণে ২৬ শে মার্চ থেকে সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। তারপরেও করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক নাহলে দফায় দফায় সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়। তবে ১৭ ই মার্চ সরকারী ঘোষণার মধ্যমে বন্ধ ঘোষনা করা হয় স্কুল কলেজ সহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো সহ প্রাইভেট কোচিং সেন্টার গুলো। যা এখন পর্যন্ত বহাল রয়েছে। তবে প্রথম দিকে প্রাইভেট কোচিং সেন্টার গুলো প্রসাশনের তৎপরোতায় মানলেও বর্তমানে তারা আর মানছে না সরকারের দেয়া ঘোষণা। প্রাসাশনকে ধোকাদিয়ে চলছে প্রাইভেট কোচিং সেন্টার গুলোর কার্যক্রম।

জানা যায় যে, রংপুর জেলার সদর উপজেলার পালিচড়া বাজারে, ফতেপুরে, অযোদ্ধাপুরে, কাটাবাড়ীতে, নয়াপুকুর কলেজ বাজারে, ধাপের হাটে, রামজীবনে, বালুয়া পাড়া, কেরানীপাড়া সহ মমিনপুরে, লাহিড়ীর হাটে ও হরিদেবপুরে চলছে প্রাইভেট কোচিং সেন্টার । বদরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর রেলবাজারে, গোপালপুরে,শ্যামপুর বন্দর সহ আশে পাশের এলাকাগুলোতেও চলছে প্রাইভেট কোচিং সেন্টার । মিঠাপুকুরের তালতলা বাজারে, এরশাদ মোড়ে, রুপসীতে ও রানীপুকুরেও চলছে প্রাইভেট কোচিং সেন্টার । আরো জানা যায়, প্রাইভেট কোচিং সেন্টার গুলো সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। স্থানীয় যুবকদের দাবী, তারা বার বার প্রাইভেট কোচিং সেন্টার গুলোর পরিচালকদের বাধা দিতে গেলে উল্টো মামলা দায়ের হুমকি দেয় পরিচালকরা। তারা আরো বলে, শুধু তাই না বাসায় এসে বাবা মায়ের কাছে বিচার দিয়ে যায়। তাই আমরা ভয়ে কিছু বলিনা বলে দাবী সেই প্রতিবাদকারী যুবকদের।

পথে রিফাত (১৬) ৮ম শ্রেণীর ছাত্র এর বই হাতে দেখা হলে সে জানায় যে, সে কোচিং করে বাড়ী ফিরছে। তবে সে কোন কোচিং সেন্টার থেকে আসছে বা কোন কোচিং সেন্টার পরে তার কোন কিছু আর বলেনা । কোচিং সেন্টার এর নাম জানতে চাইলে কাজ আছে বলে চলে যায়।
তবে প্রাইভেট কোচিং সেন্টার গুলোতে ছেলে মেয়েদের পাঠানোর ব্যাপারে কোন কথাই বলতে চায়নী অভিভাবক মহলের কেউ।

আর প্রাইভেট কোচিং সেন্টার গুলোর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালকদের সাথে বার বার কথা বলার চেষ্ঠা করে তারা বার বার এড়িয়ে গেছে কোন কথা বলতে চায়নী আমাদের সাথে।

আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর ভবিষৎ ও সোনার বাংলার রুপকার। তাদের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। কিন্তু তারাই যদি কিছু অসৎ প্রাইভেট কোচিং সেন্টারে পরিচালকের জন্য আকালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মরা যায় তাহলে এই দেশ হারাবে একজন সোনার বাংলার রুপকার। আর বাবা মা হারাবে তার আদরের সন্তান বলে দাবী সচেতন মহলের। সচেতন মহল প্রাইভেট কোচিং সেন্টার গুলো বন্ধ করা জন্য সরকার, প্রসাশন সহ সংশ্লিষ্টদের সৃষ্টি আকর্শন সহ হস্তক্ষেপ কামনা করছে। তবে শুধু রংপুর জেলাতেই নয় রংপুর বিভাগের সব জেলায় বা উপজেলায় প্রাসাশনেকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে প্রাইভেট কোচিং সেন্টার গুলো চালাচ্ছে তাদের কার্যক্রম।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.