রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া সরকারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্রি সামরীন আক্তার সুমাইয়া (১৭) নামে এক কিশোরীর অপহরণের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, গত ৩ জুন ২০২৪ ইং তারিখ রাত দশটার দিকে তার নিজ বাড়ি থেকে এই অপহরনের ঘটনা ঘটে। সুমাইয়া রাঙ্গুনিয়া থানার ৬নং পোমরা ইউনিয়নের বুলবুলি পাড়ার নুর মোহাম্মদের মেয়ে।
পিতা নুর মোহাম্মদ বলেন, গত জুন মাসের ৩ তারিখে আমার মেয়ে ঘর হইতে বাহির হইয়া ওয়াশ রুমে যাওয়ার পথে অন্ধকারে ওৎ পেতে থাকা কয়েকজন তার মুখ চেপে ধরে ট্রেক্সিতে তুলে নেয়। আমরা মেয়ের গোঙ্গানির আওয়াজ শুনে বাহির হইয়া দেখি মেয়েকে জোড়পূর্বক টেক্সিতে উঠাইয়া টেক্সি ছেড়ে দেয়। আবছা আলোতে আমাদের পার্শবর্তী নুরুল ইসলামের ছেলে ইসকান্দর(২১)কে দেখতে পাই। আমরা পিছু পিছু গেলে দেখি টেক্সিটি মালির হাটের দিকে চলে যায়। আমরা পিছু পিছু যেয়ে টেক্সিটিকে ধরতে পারিনি। অনেক খুজাখুজি করে না পেয়ে আমি সেদিন ০৩ জুন ২০২৪ ইং তারিখে রাঙ্গুনিয়া থানায় অভিযোগ দেই। যা পরবর্তীতে অপহরণ মামলা হিসাবে গৃহিত হয়।
নুর মোহাম্মদ বলেন, গত ৩ জুন থেকে অদ্যবধি প্রায় একমাস বিগত হলেও এখনো পুলিশ আমার মেয়েকে উদ্ধার করতে পারিনি। আমরা প্রশাসনের কাছে বার বার গেলেও আসামী এসকান্দরকে এখনো ধরতে পারিনি। মেয়ের মাসহ পুরো পরিবার মেয়ের শোকে কাতর হয়ে পড়ছি। জানিনা আমার মেয়ে নিরাপদে আছে কিনা।
তিনি বলেন, এলাকার চেয়ারম্যান মেম্বারের কাছে গিয়েছি। তারাও বিষয়টি দেখবে বলেছে। কিন্তু আজো আমার মেয়ের কোন হদিস পাওয়া যায় নাই।
এ বিষয়ে ৬ নং পোমরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি শুনেছি। আমার পক্ষ থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা করছি এদের সন্ধান পাওয়ার জন্য।
পোমরা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাফর প্রতিবেদকের মুঠোফোনে বলেন, শুনেছি এই ঘটনায় প্রেম সংক্রান্ত জটিলতা আছে। সেই সম্পর্কের জেড় ধরেই হয়তো তারা নিজেদের সিদ্ধান্তে বেরিয়ে গেছে। তবু আমি চেষ্টা করছি মেয়েটির সন্ধান নিতে।
রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার সাব ইন্সপেক্টর প্রদীপ কুমার মজুমদার মুঠোফোনে. বলেন, আমরা আসামীর সন্ধান করছি। আশা করি খুব দ্রুতই আসামীকে ধরতে পারবো।