কোষ্ঠকাঠিন্য শিশুদের একটি প্রচলিত সমস্যা। এটি আসলে কোনো রোগ নয়। এটি একটি বদঅভ্যাস বা অনভ্যাসের ফসল। শিশুদের যেমন বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জামাকাপড় পরা শেখানো হয়, যেমন খাবারদাবার কীভাবে খেতে হয় সেগুলো শেখানো হয়, তেমনি পায়খানা করার অভ্যাসটিও শেখাতে হবে। অভ্যাস না করানো হলে সেখান থেকে হেবিচুয়াল কনসটিপিশন বা অভ্যাসগত কোষ্ঠকাঠিন্য হয়।
এ ছাড়া কিছু রোগের কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়ে থাকে। সেখানে কিছু সার্জিক্যাল সমস্যা আছে। এ ছাড়া কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গগত সমস্যা থাকে। আর রোগের পরেও, বিশেষ করে ডায়রিয়া হওয়ার পর যে ওষুধপত্র আমরা দিই, সেগুলো খাওয়ার পর অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্য হয়।
এ ছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার আরো কিছু কারণ রয়েছে। যেমন : বাচ্চা বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করলাম, একটি খাবার থেকে আরেকটি খাবারে যখন যাই, তখন কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। বাচ্চাকে যখন স্কুলে দিই সে নতুন পরিবেশে যায়, সেখানেও তার মলত্যাগের অভ্যাস পরিবর্তন হয়ে যায়। সেখান থেকে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। অনেক সময় শিশু যখন বেড়াতে যায়, যে পরিবেশে সে টয়লেট করত, সেই পরিবেশটা পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন সে আর পায়খানা করতে চায় না। সেখান থেকে তার কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। এ ছাড়া খাদ্যাভ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। এগুলো থেকেও আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
এনটিভির নিয়মিত স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানে – ডা. মো. নজরুল ইসলাম আকাশ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
শিশু সার্জারি বিভাগের পরামর্শক