হযরত বেল্লাল, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি। সোমবার তারাপুর ইউনিয়নের বানভাসিদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন- সাংসদ গোলাম মোস্তফা আহমেদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- ইউএনও এস.এম গোলাম কিবরিয়া, পিআইও নুরুন্নবী সরকার, ওসি আতিয়ার রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান- আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীগণ।
টানা অবিরাম বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, কঞ্চিবাড়ী, শান্তিরাম, দহবন্দ ও পৌরসভার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১৫ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া পানিতে থৈ-থৈ করছে ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার নিম্নাঞ্চল সমূহ। চরাঞ্চলের পানিবন্দি পরিবারগুলো উচু স্থানে, আশ্রয়ন কেন্দ্রে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং পানি উন্নয়ন বোডের বেঁরিবাধে আশ্রয় নিয়েছেন। বন্যার স্রোতে চরাঞ্চলের কৃষকদের তোষাপাটের জাঁক ভেসে যাওয়ায় মাথায় হাত দিয়ে বসেছে তারা। এদিকে বন্যার স্রোতে সুন্দরগঞ্জ-পঞ্চানন্দ সড়ক ভেসে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
কাপাসিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান- তার ইউনিয়নের সবক‘টি ওয়ার্ড ডুবে গেছে। দুর্ভোগে পড়েছে কমপক্ষে ১৫ হাজার মানুষ।
উপজেলা নির্বাহী আফিসার এস.এম গোলাম কিবরিয়া জানান- পানি বেড়েই চলছে। আমরা আশঙ্কা করছি বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের সর্তক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সরকারিভাবে এ পর্যন্ত ১০০ মেট্রিকটন খাদ্য শস্য রেশিও অনুযায়ী বিভাজন করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া শুকনো খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হচ্ছে।