শূন্য রানে তিন উইকেট হারিয়ে হঠাৎ এলোমেলো বাংলাদেশের ব্যাটিং! ১৮৬/৫ থেকে মুহূর্তেই ১৮৬/৮ হয়ে গেল বাংলাদেশ। তাতেই ম্যাচে ফিরে এল অস্ট্রেলিয়া। ২ উইকেট হাতে নিয়ে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২২৯ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ।
প্রথম সেশনটা বেশ গেল বাংলাদেশের জন্য। তাইজুল ইসলাম আর ইমরুল কায়েস ফিরে গেলেও আক্রমণটা সচল রেখেছেন তামিম ইকবাল ও অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। প্রথম ইনিংসের মতো এই ইনিংসেও দারুণ ধারালো তামিমের ব্যাট। মুশফিকও যেন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ প্রথম ইনিংসের বড় রান না করার দুঃখটা ঘোচাতে। তবে মধ্যাহ্ন বিরতির পরই ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। তামিমের পর খুব দ্রুত আউট হয়েছেন সাকিব আল হাসানও। তামিম আউট হয়েছেন ৭৮ রানে। ১৫৫ বল খেলে, ৮টি চার মেরে এই ইনিংস তাঁর। মুশফিক খেলছেন ২৭ রান নিয়ে। মেরেছেন একটি চার ও একটি ছয়। ইমরুল কায়েসের উইকেট হারানোর পর এই দুজন যোগ করেছেন ৬৮ রান। প্রথম সেশনের দুই ঘণ্টায় ৮৭ রান করেছে বাংলাদেশ।
সকালে তাইজুলের ফেরাটা খুব অপ্রত্যাশিত ছিল না। ‘নাইটওয়াচম্যান’ হিসেবে ভালোই খেলে গেছেন তিনি। ২২ বল খেলে ৪ রান করেছেন। কিন্তু সত্যিকারের ধাক্কা হয়ে আসে ইমরুলের উইকেটটি। নাথান লায়নের বলে বারবার পরাস্ত হচ্ছিলেন। অফস্টাম্পের ওপর দুর্বলতাটা বোঝা যাচ্ছিল। ইমরুলের সেই দুর্বল জায়গায় একের পর এক বল করে ফল পেলেন অস্ট্রেলীয় অফস্পিনার। ১৮ বল খেলে ২ রান করে ফিরেছেন ইমরুল। স্লিপে তাঁর ক্যাচটি নিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার।
দিনের প্রথম বলেই ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে প্যাট কামিন্সকে সীমানাছাড়া করেছিলেন তামিম ইকবাল। চতুর্থ বলে আবার স্লিপ ও গালির ফাঁক গলে বাউন্ডারি। দিনের শুরুটা একেবারে মনের মতোই হয়েছিল বাংলাদেশের।
কামিন্সের বলে তামিমের বিরুদ্ধে একটি এলবিডব্লুর জোরালো আবেদন হয়েছিল। মাঠের আম্পায়ার আলিম দার তাতে ‘না’ বলে দেওয়ায় অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ রিভিউও নিয়েছিলেন, কিন্তু টিভি আম্পায়ার ইয়ান গোল্ড নিশ্চিত করেছেন, আলিম দারের সিদ্ধান্ত ঠিকই ছিল।